সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১
logo
সদ্য সংবাদ :

যে গাছ ফল দেয় সে গাছে ঢিল পড়ে

ফরিদগঞ্জ গল্লাক আদর্শ ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের নবীন বরণ ও উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরের মতলবে ইসলামী ব্যাংকে ইফতার মাহফিল

চাঁদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরের উত্তর মৈশাদীতে নিরীহ পরিবারের সম্পত্তি আত্মসাতের পাঁয়তারা

পালানোর জায়গা ঠিক করে রাখুন

চাঁদপুর ফটো সাংবাদিক ফোরামের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরের বিদায়ী জেলা প্রশাসককে জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ফুলেল শুভেচ্ছা

চাঁদপুর অযাচক আশ্রমের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ইসমাইল হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা

চাঁদপুর জেলা প্রশাসককে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংবর্ধনা

যে গাছ ফল দেয় সে গাছে ঢিল পড়ে
প্রকাশ : ০১ জুলাই, ২০১৫ ২৩:৪৫:৪৯
প্রিন্টঅ-অ+
বিশেষ ওয়েব

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে গণমাধ্যমবান্ধব সরকার হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে। কারণ কেবল সরকারে থাকা অবস্থায় নয়, বিরোধী দলে থাকা অবস্থায়ও শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের সব অনুষ্ঠানে সানন্দে অংশ নিয়েছেন। সাংবাদিকদের জন্য কাজ করেছেন।
গত কয়েক বছরে গণমাধ্যমে সপ্তম ও অষ্টম ওয়েজ বোর্ড গঠন ও বাস্তবায়ন হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না এই দুই ওয়েজ বোর্ড গঠন ও বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা সরকারের বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে।
তাই সঙ্গত কারণে গণমাধ্যমের কাছ থেকেও সহৃদয় সহযোগিতা যেন প্রত্যাশা সরকারের। কিন্তু সেই সহযোগিতা মিডিয়ার পক্ষ থেকে সব সময় অবারিত হয় না। এ নিয়ে কিছুটা হলেও খেদ রয়েছে সরকার প্রধানের। তারই যেন বহিঃপ্রকাশ ঘটলো আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বক্তব্যের শুরুতে সাংবাদিকদের রমজানের মোবারকবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘নিজস্ব চিন্তাভাবনা থেকেই আমি সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট করেছি। আমাকে কেউ এটা করতে বলেনি। সব সময় আমাদের সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে তাদের সঙ্গে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সম্পর্ক ‘যেন একটু বেশি ঘনিষ্ঠ’। আওয়ামী লীগ সরকারের সব কাজেরই সমালোচনা করে সাংবাদিকরা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহামন অবশ্য বলেছেন- যে গাছ ফল দেয় সে গাছে ঢিল পড়ে।’
‘আওয়ামী লীগ সরকার কাজ বেশি করে বলেই তার সমালোচনা হয়। তবে সাংবাদিকদের এই সমালোচনা গঠনমূলক হওয়া উচিৎ। কারণ গঠনমূলক সমালোচনা থেকে সরকারও কিছু শিক্ষা নিতে পারে।’ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় জাতীয় প্রেসক্লাব ইফতার মাহফিল স্থলে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাংবাদিক নেতারা তাকে স্বাগত জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করলে টেবিল ঘুরে ঘুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। সাংবাদিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আলাপে মেতে ওঠেন গণমাধ্যমের কর্মীরা। ইফতারের পূর্বে দেশ-জাতির ও মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব আবদুল জলিল ভুইয়া, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কুদ্দুস আফ্রাদ।
অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, তথ্য সচিব মতুর্জা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, বাসস’র এমডি আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, সকালের খবরের সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু, সংবাদ’র ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন, সিনিয়র সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ার।
এছাড়া ইফতার মাহফিলে অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, অসীম কুমার উকিল, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি বিচারপতি মিসবাউদ্দিন, মহাসচিব ডা. কামরুল আহসান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কাজী রফিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক শাবান মাহমুদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাবেক সভাপতি শাহেদ চৌধুরী, অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।
 

বিশেষ সংবাদ এর আরো খবর