বুধবার, ২৩ জুন ২০২১
logo
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন হাথিন কিয়াউ!
প্রকাশ : ১৫ মার্চ, ২০১৬ ১১:২৩:২০
প্রিন্টঅ-অ+
আন্তর্জাতিক ওয়েব

চাঁদপুর: মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন সে দেশের গণতান্ত্রিক নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অং সান  ‍সুচির ঘনিষ্ঠ সহযোগী হাথিন কিয়াউ। আজ মঙ্গলবার পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ওপর ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।
৭০ বছরের হাথিন কিয়াও-কে মিয়ানমার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ থেকে মনোনীত করেছে সুচির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পদ্ধতিটি বেশ জটিল। একজন প্রার্থীকে পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ থেকেই নির্বাচিত হতে হবে।
প্রেসিডেন্ট পদের জন্য ইতিমধ্যে তিনজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজনের নাম প্রস্তাব করেছে এনএলডি। বাকি একজনকে মনোনীত করেছে সামরিক জোট, যারা সংসদে ২৫ ভাগ সংরক্ষিত আসনের সুবিধা পেয়ে থাকে। মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট ও দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট পহেলা এপ্রিল থেকে দায়িত্ব নিতে চলেছেন।
অং সান সুচির দল এনএলডি গত ৮ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক ভোটে জয় পেয়েছে। কিন্তু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে সুচি দলটির প্রধান হওয়া সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট হতে পারছেন না। এক্ষেত্রে তিনি তার একান্ত সহযোগী ও শিশুবেলার বন্ধু হাথিন কিয়াও-কে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনীত করেছেন। কিয়াও একসময় সুচির গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি মিয়ানমারের জাতীয় কবি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রাতিষ্ঠানিক সদস্যের পুত্র।
গত সপ্তাহের আগ পর্যন্ত মিয়ানমারের বেশিরভাগ মানুষ তার নাম জানত না। এমনকি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করার আগে অনেকে তো তাকে চোখে পর্যন্ত দেখেননি। এনএলডি দলের সাবেক সদস্য ৪৮ বছরের জ মিন বলেছেন, ‘নিজের সবচাইতে বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনীত করেছেন সুচি। এ ধরনের মানুষ যদি দেশের নেতৃত্ব দেয় তবে তা জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’
হাথিন কিয়াও ‌রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয় (বর্তমান নাম ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে গ্রাজুয়েট করেছিলেন। মিয়ানমারে প্রথম যুগে যারা স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তাদের অন্যতম এই নেতা। পরে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্সের ওপর পড়াশোনা করেন। ১৯৭৫ সালে দেশে ফিরে তিনি প্রোগামার হিসেবে কাজ শুরু করেন।

আন্তর্জাতিক এর আরো খবর