বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১
logo
সদ্য সংবাদ :

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ ছাত্র বহিষ্কার

চাঁদপুরে জিএম টাওয়ারে দুর্ষর্ধ চুরি

ঋণের টাকা আদায়কারীকে মারধর করার দায়ে মতলব দক্ষিণে ঋণ গ্রহিতাকে ৭ দিনের জেল ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা

সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে

আওয়ামী লীগ এমন একটি রাজনৈতীক দল, যা মানুষের জন্য কাজ করে

অনলাইনে মূসক পরিশোধের ব্যাবস্থা করায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার জায়গাটি পরিষ্কার হয়েছে

গ্রাহক এবং মার্কেটিং প্রতিনিধিদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি ও তুমুল সংঘর্ষ

আজ চাঁদপুর স্টেডিয়ামে আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল

চাঁদপুর ফটো সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন

ফরিদগঞ্জে বরই গাছ থেকে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আগুন লেগেছে কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে
প্রকাশ : ১৪ মে, ২০১৫ ০০:৪১:৩০
প্রিন্টঅ-অ+
পরিবেশ ওয়েব

গৌরীপুর: কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে যেন আগুন লেগেছে। অপরূপ রূপ নিয়ে সবুজের মাঝে  ফুটে আছে আগুন লাগা কৃষ্ণচূড়ার ফুল।
হিন্দিতে একে গুলমোহর নামে ডাকা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম (Delonix regia)। এর আদি নিবাস মাদাগাস্কারে। ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, আফ্রিকা, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে এটি জন্মে।
চৈত্র-বৈশাখ মাসের প্রচণ্ড গরমে যখন সবাই অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে, তখনই কৃষ্ণচূড়ার ডাল থোকা থোকা লাল ফুলে ভরে ওঠে। শুধু বসন্ত নয় গ্রীষ্ম নয়, বর্ষায়ও কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে থোকা থোকা উজ্জ্বল গাঢ় লাল-কমলা রঙের ফুল অপূর্ব মোহনীয় রূপে ফোটে।
ফুলের জগতে কৃষ্ণচূড়ার মতো এমন উজ্জ্বল রঙের ফুল বেশ দুর্লভই বটে। কৃষ্ণচূড়ার নানা প্রজাতি আছে। প্রজাতিভেদে এদের ফুলের রঙ হয় ভিন্ন। হলুদ, সিঁদুর লাল, কমলা ইত্যাদি রঙের ফুল বিশিষ্ট কৃষ্ণচূড়া গাছ দেখা যায়। হলুদ ফুলের গাছকে আমাদের দেশে রাধাচূড়া বলা হয়ে থাকে। এই প্রজাতি অনেক দেশেই বিলুপ্তির পথে।
আমাদের দেশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার সময়কাল এপ্রিল থেকে জুন মাস। সাধারণত বীজের মাধ্যমে এর বংশ বিস্তার করা হয়ে থাকে। প্রতিকূল পরিবেশে বীজ হতে অঙ্কুরিত হওয়ার সময় এটি কয়েক সপ্তাহ অন্তর অন্তর ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত করে বাড়তে থাকে। অঙ্গজ প্রজননের মাধ্যমেও এর বংশ বিস্তার করানো যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে এর বৃব্ধি অপেক্ষাকৃত ধীর হবে।
একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত হলেও শাখা-পল্লবে এটি বেশি অঞ্চলব্যাপী ছড়ায়। কৃষ্ণচূড়ার পাপড়িগুলো প্রায় ৮ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হতে পারে। কৃষ্ণচূড়া সাধারণত শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ হিসেবে লাগানো হয়ে থাকে। তবে এর কিছু বিশেষ গুনাগুণও রয়েছে। বায়ু থেকে নাইট্রোজেন সংবন্ধনে ও জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা আছে। এছাড়া এটি ছায়া প্রদানকারী গাছ হিসেবেও ভূমিকা পালন করে। এর চারিদিক প্রসারিত বিস্তৃত ডালপালা ও বিশেষভাবে ভাঁজ করা ফুলের পাপড়ি পরিপূর্ণ ছায়া প্রদানে আমাদের ক্লান্তি দূর করে থাকে।
 

পরিবেশ এর আরো খবর