মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১
logo
যৌন হয়রানি: শিক্ষককে মারধর, বিক্ষোভ
প্রকাশ : ০৪ মে, ২০১৬ ১৬:৩৯:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+
শিক্ষা ওয়েব

চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গা শহরের ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগে বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক আহাদ আলীকে গণধোলাই এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ছাত্রী এবং এলাকাবাসীর বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। অভিযোগ উঠেছে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়া চেষ্টা করছে একটি মহল।
বুধবার সকাল ১০টার দিকে গণধোলাই ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি শান্ত করার জন্য বিদ্যালয় ছুটি দিলেও ছাত্রীরা ও স্থানীয় জনগণ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে। ঘটনা সামাল দিতে বিদ্যালযে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষক আহাদ আলীকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসংবাদ লেখা পর্যন্ত তাদের হেফাজতে একটি ক্লাস রুমে তালাবন্ধ করে রেখেছে।
এ ঘটনার খবর জানার পর আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আনজু মান আরা, এসপি সার্কেল ছুফি উল্লাহ্ বিদ্যালয়ে যান এবং স্কুল কমিটির সভাপতি এবং স্কুলশিক্ষকদের সাথে বিষয়টি নিয়ে রুদ্ধদার বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা সাংবাদিকদের জানান, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক আহাদ আলী তার ক্লাসের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গত শুক্রবার দুপুরে  শহরের হাসপাতাল পাড়ায় তার ভাড়া বাসাতে প্রাইভেট পড়নোর সময় তার সাথে যৌন হয়রানিমূলক অপরাধ করেছে এমন অভিযোগ উঠেছে।
এই অভিযোগের বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক হয়েছে পক্ষ বিপক্ষের কথা শুনেছি। ঘটনাটি নিয়ে তার অভিবাবক মহল এখোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ছাত্রীদের অভিযোগ গত শুক্রবার এই যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটানোর পরেও বিদ্যালয়ের কতিপয় ব্যক্তি এবং বিদ্যালয় কমিটির সদস্যরা বিষয়টি শিক্ষক আহাদ আলীর বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার পায়তারা করছে।
শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করে বলে, গত দুই বছর আগে ৯ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নেহালপুর গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে আহাদ আলীকে ইংরেজি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও ছাত্রী এবং কাজের মেয়েদের সাথে তার অনৈতিক যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
তবে শিক্ষক আহাদ আলী জানান, এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

শিক্ষাঙ্গন এর আরো খবর