বুধবার, ২৩ জুন ২০২১
logo
বাড়ির ফটকে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
শনাক্ত হলেও গ্রেপ্তার হয়নি দুই খুনি
প্রকাশ : ২২ জুলাই, ২০১৫ ১৭:২০:৫২
প্রিন্টঅ-অ+
রাজধানী ওয়েব

ঢাকা: রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলের কাজিওগাঁও এলাকায় বাড়ির ফটকে ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানকে গুলি করে হত্যার ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ভাড়াটিয়াবেশী দুইজনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসি ক্যামেরায় পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ ও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দু’জনের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে গত এক সপ্তাহেও এই দুই সন্দেহভাজন খুনির নাগাল পায়নি পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছেন, ব্যবসায়ী মজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আরও কয়েকজন রয়েছে বলে ধারনা পুলিশের। জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং নারীঘটিত একটি বিরোধকে গুরুত্ব দিয়েই চলছে ঘটনার তদন্ত।
গত ১৪ জুলাই ভোরে মাতুয়াইলের কাজীরগাঁওয়ের মৃধাবাড়িতে গ্যারেজের পাশে ফটকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় নবাবপুরের ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীর ব্যবসায়ী মজিবুর রহমানকে। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের ভাই তমাল সর্দার বাদি হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।
পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, দু’জনকে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা ভাড়াটিয়া সেজে ওই বাসায় প্রবেশ করে। জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও নারীঘটিত বিরোধের কারণই প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এই দুই সম্ভাবনা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শিগগির জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
নিহতের স্ত্রী শাহিদা রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘পুলিশের কাছে এতো তথ্যপ্রযুক্তি থাকার পরও খুনিরা গ্রেপ্তার হচ্ছে না। খুনিরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ। কারণ সিসি ক্যামেরায় যাদের দেখা গেছে তাদের গেপ্তার করতে পারলেই খুনের আসল রহস্য জানা যাবে।’
তিনি আরও বলেন, মজিবুর নবাবপুরের ‘আজিজ ক্যাবল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ইলেক্ট্রনিক পণ্যের পাইকারি ব্যবসা করতেন। পাশাপাশি তিনি কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের একজন সদস্য। তারা যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল মৃধাবাড়ির নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। খোকন নামে জুরাইনের এক যুবকের সঙ্গে বিরোধের ঘটনায় তার স্বামী যাত্রাবাড়ী থানায় জিডি করেছিলেন। এই খোকনের সঙ্গেই ডিজে পার্টিতে এক তরুণীর সখ্য গড়ে উঠে। এ ছাড়া স্থানীয় যুবলীগ নেতা হারুনের সঙ্গে তার স্বামীর জমি নিয়ে বিরোধ ছিল।
 

রাজধানী এর আরো খবর