রোববার, ১৬ মে ২০২১
logo
এনবিআরের আচরণে ক্ষোভ এফবিসিসিআইয়ের
প্রকাশ : ১১ জুন, ২০১৬ ১৪:৩৯:৫৬
প্রিন্টঅ-অ+
ব্যবসা ওয়েব

ঢাকা : প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দফায় দফায় আলোচনাকে প্রহসন বলে অভিহিত করেছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাতলুব আহমাদ। তিনি জানান, চার মাস  ধরে আলোচনা করে ফলাফল প্রায় শূন্য।  
শনিবার (১১ জুন) রাজধানীতে ফেডারেশন ভবনে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের উপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, মূসক নিয়ে ৮৪টি, আমদানি শুল্ক নিয়ে ২৩৯টি ও আয়কর নিয়ে ১১৮টিসহ মোট ৪৪৭টি প্রস্তাব দিয়েছি। এর মধ্যে ৯০ শতাংশই গৃহীত হয়নি।
তিনি বলেন, ‘৪ মাস ধরে দফায় দফায় যে আলোচনা করেছি তা বৃথা গেছে। আগামী বছর থেকে বাজেট প্রস্তাবনা ওপর আলোচনায় যাব কি না ভাবছি।’
মাতলুব বলেন, ‘সময় এসেছে এনবিআরকে সঠিক পথে আনার। ব্যবসায়ীরা টিকে থাকতে না পারলে ভ্যাট কোথা থেকে দেবে? এনবিআর একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে। তাহলে কেন এই প্রহসনের ডায়ালগ?’
এনবিআরের কর্মকর্তারাই রাজস্ব আদায় বাড়াতে চায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা রাজস্ব দিতে অনাগ্রহী এটা সঠিক নয়। ব্যবসায়ীদের কাছে তথ্য আছে, এনবিআর কর্মকর্তারা বলেন ভ্যাট কেন সরকারকে দেবেন, আমাদের দিন।’
প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাটের আওতা বাড়েনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারাই ভ্যাট দিচ্ছে, তাদের কাছ থেকে আরও বেশি ভ্যাট আদায় করবে। ভ্যাটের নেট বাড়েনি। বার বার মিটিং করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তাদেরই বিপদে ফেলা হচ্ছে।’
এফবিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, ‘ভ্যাট আইন নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে আলোচনায় যৌথভাবে ৭টি প্রস্তাব গৃহীত হয়। তার একটিও প্রস্তাবিত বাজেটে আসেনি। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। আশা করি, ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের আগে বিষয়টি সুরাহা হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআই জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের কাজ রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা নয়, রাস্তা আটকানো নয়। আমাদের কাজ উৎপাদন করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। আমরা চাই সরকার আমাদের এসব কাজে সহযোগিতা করুক। এটাই আমাদের মূল দাবি।’

ব্যবসা-অর্থনীতি এর আরো খবর