বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০
logo
অবসরের সুযোগ পেলে খুশি হব: শেখ হাসিনা
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর, ২০১৬ ১১:২৮:২০
প্রিন্টঅ-অ+
জাতীয় ওয়েব

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নতুন নেতা বেছে নিলে এবং তিনি অবসরে যাওয়ার সুযোগ পেলে ‘সবচেয়ে বেশি’ খুশি হবেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফরের অভিজ্ঞতা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে রোববার সংবাদ সম্মেলনে এসে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।  
প্রশ্ন করতে দাঁড়িয়ে সমকাল সম্পাদক গোলাম সরওয়ার বলেছিলেন, প্রতিবার সম্মেলনের আগে কেবল সাধারণ সম্পাদক বা অন‌্য পদে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে তা নিয়েই আলোচনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সবাই বিষয়টি দলের সভাপতির ওপরই ছেড়ে দেন।
আসছে ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনা কীভাবে দলের সংস্কার করতে চান- সেই প্রশ্ন রাখেন সমকাল সম্পাদক।  
উত্তরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই সব হবে।
 
“আমার তো ৩৫ বছর হয়ে গেছে। আমাকে যদি রিটায়ার করার সুযোগ দেয় তাহলে আমি সব থেকে বেশি খুশি হব।”
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সহযোগী সংগঠনের নেতারা সমস্বরে ‘না না’ বলে ওঠেন।
বঙ্গবন্ধুকন‌্যা হাসিনা তখন বলেন, “আমি থাকব। দল ছেড়ে তো আমি যাচ্ছি না। যদি নতুন নেতা নির্বাচিত করা হয়, তাহলে সব থেকে বেশি আনন্দিত হব।”
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তাকে দলীয় প্রধান নির্বাচিত করা হয়। ওই বছরের ১৭ মে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেন তিনি।
এরপর গত ৩৫ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ তিন মেয়াদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৯৬ সালে তার নেতৃত্বে দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসে দলটি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠিত হয়। আর ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এতো দীর্ঘ সময়ে এতো দায়িত্ব পালন করা, এটা কম কথা নয়।”
জাতীয় সম্মেলনে আওয়ামী লীগের অন‌্যান‌্য পদে আর কে কীভাবে থাকবে, তা দলের ভেতরে আলোচনা করেই ঠিক হবে বলে জানান তিনি।  
“বাকি কে হবে না হবে… আমি যাই করি না কেন, যখনই যা করি, মতামত নিয়ে করি। এ পর্যন্ত যা যা করা হয়েছে, সবার মতামত নিয়ে করা হয়েছে। সবার মতামত নেওয়া হচ্ছে। আমরা বসে নেই।”
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের, প্রায় দুই যুগ পর যে দলটির নেতৃত্বে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।
 

জাতীয় এর আরো খবর