বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
logo
টাইগার ক্রিকেটাররা একদিন বিশ্বকাপ জিতবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৩০:৩০
প্রিন্টঅ-অ+
জাতীয় ওয়েব

ঢাকা: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের বিভিন্ন অর্জনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বের সব দেশই এখন রয়েল বেঙ্গল টাইগারদের একটু হিসাব করে চলে। রয়েল বেঙ্গল টাইগাররা এখন সত্যিকার অর্থেই টাইগার হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে কোনো একদিন ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জয় করবে।
রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পরপর তিন বছরের জাতীয় ক্রীড়া পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের পদক বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে খেলাধুলার ক্ষেত্র স্থবির ও দুর্নীতির আখড়া হয়েছিল মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া ফেডারেশনের নির্বাচন, আর্থিক সহায়তা বাড়ানো, প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেয়া, বিকেএসপিকে আধুনিক করাসহ তার সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৯৬ সালে যখন আমরা টেস্ট ক্রিকেট খেলার ১০তম সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি পেলাম, অনেকেই তখন নানাভাবে অনেক বিদ্রূপ করেছিল। যে বাংলাদেশ প্রস্তুত হয়নি এখনই তাদেরকে, আমি নাকি লবিং করে করে সমস্ত দেশের প্রধানমন্ত্রীদের বলে বলে নাকি এই স্ট্যাটাসটা অর্জন করেছি। খেলাধুলায় নাকি আমাদের ছেলেরা পারদর্শী না। তবে আমাদের ছেলেরা যে খেলাধুলায় পারদর্শী তার জবাবটা তারা উপযুক্ত দিয়ে দিয়েছে।’
দেশের ক্রীড়াঙ্গণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মোট ৩২ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে আজ পদক দেয়া হয়।
এর মধ্যে ২০১১ সালে মরণোত্তর পদক পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে বড় ছেলে শেখ কামাল।
শেখ কামাল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে নিহত হন। দেশের জনপ্রিয় স্পোর্টস ক্লাব আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামাল আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে প্রথম বিভাগে ক্রিকেট খেলেন। তিনি বাস্কেট বল ইভেন্টেও প্রথম বিভাগে খেলেছেন।
বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, দেশের ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করতে ১৯৭৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পদক চালু করা হয়। এ পর্যন্ত মোট ১৮৮ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এ পদক পেয়েছেন। এদের মধ্যে ১৯ জন ক্রিকেটার।
 
২০১০ সালের জাতীয় ক্রীড়া পদক বিজয়ীরা হলেন- হারুন-উর-রশীদ (সুইমিং), আতিকুর রহমান (শুটিং), মাহমুদা বেগম (অ্যাথলেট), দেওয়ান মো. নজরুল ইসলাম (জিমনেস্টিক), মিজানুর রহমান মানু (সংগঠক), এ এস এম আলী কবির (সংগঠক), মো. তকবির হোসেন (সুইমিং, মরণোত্তর), ফরিদ খান চৌধুরী (অ্যাথলেট), নেলি জেসমিন (অ্যাথলেট) এবং নিপা বোস (অ্যাথলেটিকস, অটিস্টিক)।
২০১১ সালের পদক বিজয়ীরা হলেন রওশন আরা ছবি (জিমন্যাস্টিক), মো. কাঞ্চন আলী (বক্সিং), মো. আশরাফ আলী (রেসলিং), হেলেনা খান ইভা (ভলিবল), খালেদ মাসুদ পাইলট (ক্রিকেট), রবিউল ইসলাম (বডিবিল্ডিং), জুম্মন লুসাই (হকি), কুতুবুদ্দিন মোহাম্মদ আকসির (সংগঠক), আশিকুর রহমান মিকু (সংগঠক) এবং শহীদ শেখ কামাল (অ্যাথলেটিকস এবং সংগঠক, মরণোত্তর)।
২০১২ সালের পদক বিজয়ীরা হলেন সাকিব আল হাসান (ক্রিকেট), মো. মহসিন (ফুটবল), খুরশীদ বাবুল (ফুটবল), আশিষ ভদ্র (ফুটবল), আবদুল গাফ্ফার (ফুটবল), সত্যজিৎ দাস রুপু (ফুটবল), ফিরোজা খাতুন (অ্যাথলেটিকস), নাজিয়া আকতার যূথী (ব্যাডমিন্টন), কাজী রাজিবউদ্দিন আহমেদ চপল (সংগঠক), মামুনুর রশিদ (হকি), সালমা রফিক (সংগঠক, মরণোত্তর) এবং নুরুল আলম চৌধুরী (সংগঠক)।

জাতীয় এর আরো খবর