মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
logo
যুদ্ধাপরাধীদের প্রশ্রয়দাতাদেরও বিচার হওয়া দরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ : ৩০ আগস্ট, ২০১৬ ২২:২৪:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+
জাতীয় ওয়েব

ঢাকা: যুদ্ধাপরাধীদের প্রশ্রয়দাতাদেরও বিচার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান যাদের মন্ত্রী বানিয়েছিলেন, যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। এখন তাদের যারা মন্ত্রী বানিয়েছে তার কী হবে? মানুষের মধ্যে এই সচেতনতা তৈরি করতে হবে যে, তাদের যারা মন্ত্রী বানিয়েছে তাদেরও প্রকাশ্যে বিচার হওয়া দরকার। এ বিষয়ে জনমত গঠন করতে হবে।”
 
মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে শোকাবহ আগস্টের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
 
বিএনপি চেয়ারপারসনের বক্তব্যের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “জঙ্গিদেরবাঁচিয়ে রাখলে কী করবেন, পূজা করবেন? আবার বলেন, শেকড় সন্ধানের কথা। সেটা তো আর খুঁজতে হয় না। যারা জঙ্গিদের জন্য মায়াকান্না করে তারাই তো শেকড় হতে পারে।”
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শেকড়ের সন্ধান আর করতে হবে না, শেকড় তো নিজেই কথা বলছে। যারা জঙ্গিদের হয়ে কথা বলে, একদিন এদেরও বিচার করবে জনগণ’।”
 
তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের কারাগার থেকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। স্বাধীনতাবিরোধী শাহ আজিজ ও আবদুল আলীমকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। মাওলানা মান্নানকে বানিয়েছিলেন উপদেষ্টা। আর তার স্ত্রী নিজামী, মুজাহিদকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন।”
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন জিয়াউর রহমান আর তার স্ত্রী তাকে দিয়েছেন বাংলাদেশি পাসপোর্ট। যারা যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করে তারা কীভাবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হয়।”
 
জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতাবিরোধী খুনি, ধর্ষকদের কারাগার থেকে ছেড়ে গিয়ে রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।”
 
তিনি বলেন, “তিনি যুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, একটি খেতাবও পেয়েছেন। কিন্তু পরে তিনি কী করেছেন? স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসন করেছেন। জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ ছিল। তাদেরকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধীদের ভোটাধিকার ছিল না, অর্ডিন্যান্স জারি করে তাদেরকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাহলে তিনি কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা হন?”

জাতীয় এর আরো খবর