সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
logo
পাঠ্যবইয়ে থাকতে হবে যুদ্ধাপরাধীদেরও কথা
প্রকাশ : ২৯ জুলাই, ২০১৫ ২১:০২:৪৭
প্রিন্টঅ-অ+
জাতীয় ওয়েব

ঢাকা: পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযোদ্ধাদের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের কর্মকাণ্ডের বিষয় অন্তর্ভূক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। পরবর্তী প্রজন্ম যাতে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের কথাও জানতে পারে সে জন্যই তিনি এ দাবি জানান।
বুধবার আইডিইবি ভবনে রূপালি ব্যাংক আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের এক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ দাবি জানান মন্ত্রী। এতে ব্যাংকটিতে কর্মরত বা সাবেক ১৯৩ মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন প্রজন্ম শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের ভালো কথা শুনলেই চলবে না। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের কথাও জানাতে হবে। যা থেকে তারা শিক্ষা নেবে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের না বিপক্ষের শক্তিকে সাপোর্ট করবে।’
মুক্তিযোদ্ধাদের চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে আগামী ছয় মাস ৮ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘সরকারের কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এই ছয় মাস ৮ হাজার করে দিলেও আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান করা হবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এ বছরই ১০ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি করা হবে।’
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাধীনতা অর্জনের মধ্য দিয়ে একটা প্রাপ্তি এলেও পূরণ হয়নি অধিকাংশ প্রত্যাশা। তাদের প্রত্যাশার মধ্যে সবসময় থাকে তাদেরকে সম্মান প্রদান। যেটা বেশিরভাগ সময়ই তারা পায় না।’
তিনি যোদ্ধাদের বিভাজন না করে সম্মানী ভাতা প্রদান, স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা, তাদের জন্য পৃথক আবাসিক এলাকা তৈরির আহ্বানও জানান সরকারের প্রতি।
অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যন মনজুর হোসেন, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল-মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ খান, ব্যাংকটির পরিচালক ব্যারিস্টার জাকির আহমেদসহ আরো অনেকে।
 

জাতীয় এর আরো খবর