সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
logo
তীব্র তাপদাহ চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত
প্রকাশ : ০৬ মে, ২০১৫ ১৬:৫৫:২৯
প্রিন্টঅ-অ+
জাতীয় ওয়েব

ঢাকা: তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ঘরে-বাইরে কোথাও এতটুকু স্বস্তি নেই। নগরে, পথে-ঘাটে নেই এতটুকু প্রশান্তির আবেশ। আগুনের হলকার মত গরম বাতাসে ঝলসে যাচ্ছে নাগরিক জীবন। প্রচণ্ড তাপদাহে নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ সকলেই কুপোকাত হয়ে পড়েছে। কর্মজীবী মানুষ বাইরে বের হলেই অতিরিক্ত ঘামে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে।
এর মধ্যে আগুনে ঘি ঢালার মত গরমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যানজট। সিগন্যালে সিগন্যালে আটকে থাকতে হচ্ছে শত শত যানবাহনকে। পাবলিক পরিবহনগুলোতে তিল ধারণেরও জায়গা থাকছে না। তীব্র গরমে ছটফট করছে বাসের যাত্রীরা। এক একটি বাস যেন হয়ে উঠেছে এক এক টুকরো নরক।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ঢাকাসহ রাজশাহী, পাবনা, পটুয়াখালী, বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের তীব্র তাপ প্রবাহিত হচ্ছে। এই তাপপ্রবাহ চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এরপর হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চলতি মাসের ১৫ তারিখের পর আবারও তাপপ্রবাহ শুরু হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে তীব্র গরমে পানি, ডাব, শসা, ক্ষীরা বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ। ক্লান্তি দূর করতে কেউ পান করছেন পানি, কেউবা ডাবের পানি। আবার কেউ কেউ খাচ্ছে শসা বা ক্ষীরা। তারপরও স্বস্তি মিলছে না। কেউ কেউ ঝুঁকছে বিভিন্ন কোমল পানীয় এবং ফুটপাতে বিক্রি হওয়া নানা ধরনের শরবতের দিকে।
পল্টন মোড়ে ডাব ব্যবসায়ী জলিল মিঞা জানান, গরম বেড়ে যাওয়ায় ডাব বেশি বিক্রি হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে ডাবের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। চাহিদামত ডাব সরবরাহ করতে পারছি না। খুচরা বাজারে ৬০ টাকার কমে কোন ডাবই নেই।’
এদিকে অতিরিক্ত গরমের কারণে সর্দি-কাশি, জ্বর, ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বরের রোগী। এক্ষেত্রে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
প্রচণ্ড এই গরমে সবাইকে প্রচুর পানি ও খাওয়ার স্যালাইন পানের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া, রোদ থেকে ফিরে অধিক ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে স্বাভাবিক তাপমাত্রার অথবা হালকা ঠাণ্ডা পানি পান করতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
 

জাতীয় এর আরো খবর