বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
logo
হাইকোর্টে ঐশী
‘এক্সক্লুসিভলি’ কথা বলবেন বিচারকরা
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল, ২০১৭ ১২:০২:১৫
প্রিন্টঅ-অ+
আইন ওয়েব


নিজসঢাকা: পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া তাদের মেয়ে ঐশী রহমানের মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হাইকোর্টে হাজির করা হয়েছে পরে তাকে বিচারকের খাসকামরায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তার সঙ্গে বিচারকরা ‘এক্সক্লুসিভলি’ কথা বলবেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চে ঐশীকে হাজির করা হয়। এর পর তাকে এজলাসেম ওঠানো হয়।

এর আগে রোববার এই হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর যুক্তিতর্ক উপস্থপাপন শেষ হয়েছে।
 
বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের মধ্য শুনানি শেষ হয়।
 
রোববার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির যুগান্তরকে জানান, ঐশীর মামলায় আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য সোমবার ঐশীকে হাইকোর্টে হাজির করা হবে। এদিনই আদালত মামলায় রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করতে পারেন বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, “অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে দেওয়া বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডের রায় আমরা বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছি। আর তার মানসিক অবস্থা নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে সে ব্যাপারে আমরা বলেছি, ঘটনার সময় ও তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার সময় তার মানসিক অবস্থা ঠিক ছিল।”
 
আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আফজাল এইচ খান ও সুজিত চ্যাটার্জি। পরে আইনজীবী আফজাল এইচ খান সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কের জবাব দেব। এরপর শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন নির্ধারণ করবেন।”
 
২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজ বাসা থেকে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (রাজনৈতিক শাখা) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মা-বাবা খুন হওয়ার পর পালিয়ে যান ঐশী। পরে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধান আসামি ঐশী রহমানকে ডাবল মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন আদালত। অপর দুই আসামি ঐশীর বন্ধু রনিকে দুই বছরের করে কারাদণ্ড ও জনিকে খালাস দেয়া হয়।

আইন আদালত এর আরো খবর