শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯
logo
সাকার রায় ফাঁসের মামলায় ব্যারিস্টার ফখরুলের জামিন
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল, ২০১৭ ১১:৫৮:৫৯
প্রিন্টঅ-অ+
আইন ওয়েব
ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর রায় ফাঁসের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামকে এক বছরের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সাজার বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার ফখরুলের আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যারিস্টার ফখরুলের আপিল গ্রহণের পর থেকে শুনানি চলছে হাইকোর্টে।

আদালতে ব্যারিস্টার ফখরুলের জামিনের আবেদনের পক্ষে ছিলেন জয়নুল আবেদিন ও মিজানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ।

২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সাকা চৌধুরীর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের খসড়া ফাঁসের রায় দেন বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম।

রায়ে সাকা চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম ফখরুল ইসলামকে ১০ বছর এবং ম্যানেজার মাহবুবুল হাসান, ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামের জুনিয়র আইনজীবী মেহেদী হাসান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী ফারুক আহমেদ ও নয়ন আলীকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুই আসামি সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী খালাস পান।

ব্যারিস্টার ফখরুলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাস এবং অন্য চারজনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাস করে কারাদণ্ডও দেয়া হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। তবে রায়ের আগেই সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা ‘রায়ের খসড়া কপি’ সাংবাদিকদের দেখান এবং স্পাইরাল বাইন্ডিং করা কপি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে যান।

রায় ঘোষণার পরদিন ২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ কে এম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় জিডি করেন, যা পরে মামলায় রূপান্তরিত হয়।

আইন আদালত এর আরো খবর