বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯
logo
বর্ষবরণে শ্লীলতাহানির ঘটনায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৬:০৯:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+
আইন ওয়েব
ঢাকা: ২০১৫ সালে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে শ্লীলতাহানির মামলায় মো. কামালকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নারী ও শিশু শাখায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইর পুলিশ পরিদর্শক আবদুর রাজ্জাক এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের জেনারেল রেকর্ডিং অফিসার (জিআরও) পার্থ চ্যাটার্জি গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, এ মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ৩৪ জনকে।

জিআরও জানান, অভিযোগপত্রটি আজ ঢাকার মহানগর হাকিম দেবব্রত সরকারের আদালতে উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-৩- এ পাঠিয়ে দেয়া হবে।

তিনি আরো জানান, চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি চকবাজারের খাজী দেওয়ান রোডের প্রথম লেনের ৭৭ নম্বর বাড়ি থেকে মো. কামালকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফেতারের পর কামালকে রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে তিনি এখনো কারাগারে আটক আছেন।

এদিকে একই ঘটনায় ২০১৫ সালের ৯ ডিসেম্বর ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) দীপক কুমার দাস মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় কোনো আসামিকে খুঁজে না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলো।

আরো বলা হয়, বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যৌন হয়রানির ঘটনা গোপন ও প্রকাশ্য তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চিহ্নিত আট যৌন হয়রানিকারীকে গ্রেফতার করা যায়নি।

এ ছাড়া তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন  কতিপয় ব্যক্তি নারীর শাড়ি ধরে টান দেয়। তদন্তে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় মামলার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হয়।

পরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার প্রতিবেদনটি গ্রহণ না করে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ এপ্রিল বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারীদের লাঞ্ছনা করা হয়। পরে এ ঘটনাটির ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আট লাঞ্ছনাকারীকে শনাক্তের পর গণমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে পুলিশ।

তাদের ধরিয়ে দেয়ার জন্য লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

আইন আদালত এর আরো খবর