বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
logo
এমপি আমানুরের বাড়ির মালামাল উধাও!
প্রকাশ : ২১ মে, ২০১৬ ১২:৫২:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+
আইন ওয়েব

টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাইয়ের বাড়ির মালামাল ক্রোক করেছে পুলিশ। এ সময় বাড়িতে একটি আলমারি ও একটি ফ্রিজ ছাড়া আর কোনো মালামাল পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (২০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ভুঁইয়ার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এমপি রানার ছোট ভাই সাবেক পৌর মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তির বাসা থেকে একটি ফ্রিজ এবং ছোট ভাই সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার ঘর থেকে একটি আলমারি ক্রোক করেছে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তার ৩ ভাইসহ ১০জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তরি পরোয়ানা জারির পর তাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে আদালত। একই আসামিদের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেয়া হয়।
গত সোমবার (১৬ মে) টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গোলাম কিবরিয়া এ আদেশ দেন।
তবে মালামাল জব্দ করতে গেলে দামি কোনো জিনিসপত্র পাওয়া যায়নি। অনেকের অভিযোগ, মালামাল জব্দ করার খবর সেগুলো সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মাহফীজুল রহমান জানান, এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মদ হত্যার অভিযোগে টাঙ্গাইলের-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা ও তার ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি, কেন্দ্রিয় ছাত্র  লীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা ও পরিবহন ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সম্প্রতি চার্জশিট জমা দেয়ার পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে শহরের কলেজ পাড়ায় নিজ বাস ভবনের সামনে থেকে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মদেও গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর নিহত ফারুর আহম্মদের স্ত্রী নাহার আহম্মেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

আইন আদালত এর আরো খবর