মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০
logo
ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি কার্যকর
প্রকাশ : ৩০ জুলাই, ২০১৫ ১৬:৫৭:৪২
প্রিন্টঅ-অ+
আন্তর্জাতিক ওয়েব

ঢাকা: মুম্বাই সিরিজ বোমা হামলার দায়ে অভিযুক্ত ইয়াকুব মেমনকে ফাঁসিতে ঝুলান হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে নাগপুর জেলে তার ফাঁসি কার্যাকর করা হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
বুধবার গভীর রাতে ইয়াকুব মেমনের প্রাণভিক্ষার শেষ আবেদন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়ে তার প্রাণদণ্ডের আদেশ বলবৎ রাখার পর  বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় সকাল ৭টা ১ মিনিটে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। তার ফাঁসির ঘটনা ভিডিও করা হয়েছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজের ৫৪তম জন্মদিনেই ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুললেন ইউসুফ।
এর আগে বুধবার মেমনের ফাঁসি অন্তত ১৪ দিন স্থগিত রাখার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তার পক্ষের আইনজীবীরা। সেই আবেদনের নিষ্পত্তি করতে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে কার্যত নজিরবিহীন ভাবে রাত আড়াইটেয় খোলা হয় সুপ্রিম কোর্ট। শুনানি শুরু হয় তারও এক ঘণ্টা পরে অর্থাৎ রাত সাড়ে তিনটায়। সেই শুনানিতেই ইয়াকুবের আর্জি খারিজ করে দেয় ওই বেঞ্চ। বিচারপতিদের রায় বেরুনোর পরই শুরু হয় মৃত্যুদণ্ডের প্রস্তুতি।
দেশের বেশ কয়েকশো বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, আইন বিশেষজ্ঞ এবং সিপিএম-এনসিপি-বিজেপিসহ বিভিন্ন দলের এমপিরা রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর ফাঁসির সাজা মওকুফ করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তারা ফাঁসির বদলে ইয়াকুবকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন। ওই পিটিশনে অন্যতম স্বাক্ষরকারী কে টি এস তুলসী বলেছিলেন, ‘ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জঙ্গী হামলার ষড়যন্ত্রে ইয়াকুব মেমন জড়িত ছিল তাতে কোনও সন্দেহ নেই, কিন্তু এটাও ঠিক যে তদন্তে সে ভারতকে খুবই সাহায্য করেছে, পাকিস্তানের মিথ্যে ধরিয়ে দিতে তার বিরাট ভূমিকা ছিল। আমরা বলছি, শুধু এ কারণেই তাঁর মৃত্যুদন্ড লাঘব করা যেতে পারে।’
ইয়াকুবের স্ত্রী রাহিন মেমনও সুপ্রিম কোর্ট ও দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর স্বামীর প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন। কিন্তু ওইসব আবেদন খারিজ করে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে।
ভারতে ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ইয়াকুব মেমনের ৫৪ তম জন্মদিন ছিল বৃহস্পতিবার। আর এদিন সকালেই নাগপুর সেন্ট্রাল জেলে তাকে ফাঁসি দেয়া হল। যদিও বুধবার বিকেল পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না ইয়াকুব।
 

আন্তর্জাতিক এর আরো খবর