শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
logo
আমাকে অ্যারেস্টের খেসারত এখনো দিচ্ছে বিএনপি
প্রকাশ : ০১ জুলাই, ২০১৬ ১২:১৬:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+
হাইলাইটস ওয়েব

চাঁদপুর: মানুষ হত্যা মহাপাপ। ইসলাম কখনই এটি অনুমোদন করে না। কিছু বিপদগামী ইসলামের নামে মানুষ খুন করছে। বাংলাদেশেও সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামের নামে তরুণদের বিপথে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করছে একশ্রেণির ধর্ম ব্যবসায়ী। এ থেকে তরুণদের বাঁচাতে সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার। এ চেষ্টায় শরিক হতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের খতিব আল্লামা ফরিদউদ্দীন মাসঊদ। সম্প্রতি লক্ষাধিক আলেমের স্বাক্ষর সম্বলিত জঙ্গিবাদ বিরোধী ফতোয়া প্রকাশ করেছেন।
    তার আরও পরিচয় আছে: বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান; ইকরা বাংলাদেশ ইসলামি গবেষণা পরিষদের প্রধান নির্বাহী। ইকরার অফিসে বসেই কথা হয় তার সঙ্গে। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ, পুরোহিত, যাজক,  ব্লগার, লেখক, শিক্ষককে কুপিয়ে নৃশংস হত্যা এবং জামায়াতের রাজনীতি এবং গণজারগরণ মঞ্চে একাত্মতা প্রকাশ কারার কারণসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন।
জঙ্গি দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমের বাইরে ধর্মীয় কোনো পথে এ চরমপন্থা মোকাবেলা সম্ভব কি না?
আমি মনে করি, ভুল পথে যে তরুণরা পা বাড়িয়েছে তাদের বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য এগিয়ে আসতে হবে আলেম সমাজকে। তবে যাদের দিলে মরিচা পড়ে গেছে তাদের ফেরানো কঠিন। কারণ ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করছে তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে, মরলে শহীদ। তারাতো আত্মঘাতিও হতে প্রস্তত। এদেরকে যদি আপনি ফাঁসিও দেন তারা মনে করে আমি মারা যাবো। আমার জন্য বেহেস্তে হুর-পরীরা মালা নিয়ে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। সুতরাং এভাবে আপনি দমন করতে পারবেন না। বিপদগামী এ তরুণদের বোঝাতে হবে বেহেস্ত পাওয়ার রাস্তা এটা নয়।
জঙ্গিবিরোধী এ উদ্যাগ আপনি নিজ থেকে নিয়েছেন, নাকি সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছিল?
সরকারের তরফ থেকে নয়, সরকারের মাথায়ও এ চিন্তা আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনকে বুঝাতে চেয়েছি যে, মনচেতনা থেকে জঙ্গি তৎপরতার প্রসার হচ্ছে। ধর্মীয় চেতনাকে পুঁজি করে সংগঠন করা হচ্ছে। ইসলামের দৃষ্টিতে জেহাদ ও সন্ত্রাস এক বিষয় নয়। ফতোয়ার মাধ্যমে সারাদেশের মানুষের কাছে সে বার্তা পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ।
জঙ্গিবাদ উত্থানের কারণ কী বলে মনে করেন?
মৌলিকভাবে ইসলাম সমাজে, অমসুলিম যারা বসবাস করে- যেই প্রশ্নটা তারা এনেছে। এদেরকে হত্যা করার অধিকার ইসলাম দেয় না।
ইদানীং হত্যাকাণ্ড বেড়েছে, বা বৃদ্ধি পেয়েছে, এটা আমি এভাবে কথাটা বলবো না। বরং কিছু খুন এমনভাবে হচ্ছে এটা মানুষের আলোচনায় আসছে। আলোচনায় আসছে বেশি। এটা করছে ভীতি তৈরি ও নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার জন্য। আমি এটা মনে করি, এর শক্তিটা হচ্ছে জামায়াত-শিবির।
আপনার কথা অনুযায়ী ইসলামে নামে দেশে নৃশংস সব হত্যা এবং অস্থিরতার পেছনে জামায়াত জড়িত?
হ্যাঁ, তাই মনে হয়। আমার কাছে প্রমাণ নেই। তবে হত্যার ধরন দেখে, কৌশল দেখে মনে হয় ওদেরই কাজ এগুলো। বর্তমানে যে কায়দায় নৃশংসভাবে খুন করা হচ্ছে ওই কৌশল দেখে মনে হচ্ছে এর পেছেনে জামায়াতে ইসলাম আছে। শিবির আছে। এদের টাকা পয়সা পেশাদার খুনিদের পিছনে ব্যয় করছে। দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য
তাহলে বিভিন্ন সংগঠনের দাবির পরও জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না কেন?
এটা কেনো করা হচ্ছে না তা সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না। সরকারের কৌশলও থাকতে পারে। তবে আমি সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, এই কৌশলটা বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। এই কৌশলটা জনগণের পক্ষে হবে না।
আপনি কি মনে করেন জামায়াত নিষিদ্ধ হলে সব নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে?
নিয়ন্ত্রণের কথা বলছি না। হয়তো তারা আন্ডা গ্রাউন্ডে তাদের কাজ চালাইতে পারবে। তবে আন্ডারগ্রাউন্ডে আন্দোলন প্রাণ পায় না। আন্ডারগ্রাউন্ডে তারা এখনও খুন-খারাপি চালাচ্ছে। এখনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এখন আর নতুন ভয় হবে কী?
নিষিদ্ধ হলে কি জামায়াত নতুন নামে দল করবে মনে হয়?
করতে পারে। যেহেতু এই দেশে সবার দল করার অধিকার আছে। তখনতো আর জামায়াতে ইসলামের জন্য করবে না। কিন্তু তারা যদি ওই আদর্শ নিয়ে করে তখন আবার জনগণ প্রতিহত করবে। আমি মনে করি যেহেতু আজ পর্যন্ত তারা ভুল স্বীকার করেনি। জনগণের কল্যাণে কিছুই করেনি। আজ পর্যন্ত যেহেতু তারা শান্তির পথে আসেনি। সুতরাং তাদেরকে কোনো সুযোগ দেয়া সরকারের উচিত হবে না বলে আমি মনে করি।   
জঙ্গি এবং গুপ্তহত্যার বিষয়টি তো বড় সমস্যা হয়ে এলো গণজাগরণ মঞ্চ সৃষ্টির পর। তখনই অভিযোগ উঠলো নবী রাসূলকে নিয়ে ব্লগাররা কটূক্তি করে, এরপর পরই নাস্তিকদের বিষয়টি আলোচনায় চলে আসে এবং গুপ্তহত্যা শুরু হয়...
নাস্তিক ব্লাগারদের উত্থান গণজাগরণ মঞ্চ থেকে নয়। গণজাগরণ মঞ্চ হয়েছিল যুদ্ধাপরাধ বিরোধী একটি আন্দোলন। এখানে হিন্দুও ছিল, খ্রিস্টান ছিল, নাস্তিকও ছিল। আর নাস্তিক ব্লাগারের বিষয়টি জানা গেছে অনেক পরে। ওই সময়তো আর জানা যায়নি। আমি যখন গিয়েছি, সমর্থন দিয়েছি যুদ্ধাপরাধীদের ব্যাপারটা। মূলত রাজিব হত্যাকাণ্ডের পর জানা গেছে, রাজিব কে। এইটাতো আর এই কথা বুঝায় না আমি ব্লাগারদের মাধ্যমে নবী রাসূল (স.) অপমান করে আসছি... নাউজুবিল্লাহ!
গণজারগরণ মঞ্চ থেকে নবী রাসূলকে অপমান করা হয়েছে। এটা জামায়াতের একটা কৌশল। যারা গণজাগরণ চালাচ্ছিল, নেতৃত্বে ছিল তাদের মধ্যে নাস্তিক ছিল বলে আমার জানা নেই। কর্মীদের মধ্যে হয়তো নাস্তিক ছিল। তখন জনগণের দৃষ্টি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারটা থেকে বন্দুকটা চলে গেলে নাস্তিকদের বিচার করো আগে। এটাতে জামায়াতের লাভ হলো।
ইমরান এইচ সরকার নাস্তিক না। আমি তাকে নিজের চোখে নামাজ পড়তে দেখেছি। শাহাবাগের মসজিদের ইমাম হয়েছে আমার ছাত্র। সে আমাকে বলেছে, হুজুর সে (ইমরান) আমার পিছনে নামাজ পড়তে আসে। সে হয়তো অনেক সময় নামাজ পড়ে। অনেক সময় পড়ে না। আমাদের ছেলে মেয়েরা আছে না, আপনাদের সাংবাদিকরাও আছে না- অনেক সময় নামাজ পড়ে আবার পড়ে না। এই রকম। সে সরাসরি নাস্তিক না। আর গণজাগরণ মঞ্চ নাস্তিকদের সঙ্গে জড়িত তখনতো একটাই দাবি ছিল। আমিতো তৃতীয় দিন ওখানে গিয়েছি।
ব্লগাররা যে আল্লাহ নবী-রাসূলকে কটূক্তি করেছিল, এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?
ব্লগারদের সম্পর্কে পত্রিকায় যে সমস্ত কথা এসেছে, ওই বিষয়গুলো ক্ষমার অযোগ্য নয়। তবে ইসলামি দৃশ্যভঙ্গিতে আমি বলবো এর বিচারের ভার কেউ নিজের হাতে নিতে পারে না। এটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা আছে, বিচার অঙ্গনে যারা আছেন, আইন অনুযায়ী তাদের যথাযথ বিচার করবে।
ইসলামে তো মুরতাদকে (ধর্মত্যাগী) হত্যার বিধান রয়েছে। তাহলে নাস্তিক ব্লগারদের ক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান কী?
শরিয়তের আইন যখন থাকবে তখন না প্রশ্ন। এখানে শরিয়া ভিত্তিক আইন না। সুতরাং এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই।
হেফাজতের ১৩ দফা দাবির সঙ্গে আপনি কি একমত?.
হ্যাঁ। তবে তাদের ১৩ দফার সাথে মৌলিকভাবে যে দাবিটা থাকার দরকার ছিল; আমি সেই সময় তাদেরকে বলেছিলাম, তোমাদের জামায়াত নিষিদ্ধের বিষয়টি এই দাবির সঙ্গে থাকার দরকার ছিল। এই দাবি না দিলে তোমাদের মধ্যে জামায়াত অনুপ্রবেশ করবে এবং তোমাদেরকে ছিনতাই করে কতল করে ফেলবে। তা-ই হয়েছে। আমি হেফাজতের আমিরকে চিঠি ‍দিয়েছিলাম। ১৩ দফার সঙ্গে শুধুমাত্র এই এক দফা না থাকায় আমি তাদেরকে সমর্থন করি নাই।
এই এক দফা না থাকায় হেফাজতের আন্দোলন নসাৎ হয়ে গেছে। ওরা (জামায়াত) এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছে। এক হলো গণজারণ মঞ্চের দৃষ্টি জনগণের থেকে সরিয়ে দিল, আরেকটি হলো মৌলভি সাহেবদেরকে সমাজের সামনে হেয় করে দিল। এখন দেশের মানুষের কাছে হেফাজতের আর আবেদন নেই। যখন মানুষ দেখলো হেফাজত টাকা পয়সার দিকে ছুটছে। তারা গভর্নমেন্টের সঙ্গে আপোষ কামনায় ছুটছে তখন আর মানুষের কাছে তাদের আর মূল্য নেই। আর গণজাগরণ মঞ্চেরও আবেদনটা নেই। ওরা এখন বিতর্কিত হয়ে গেছে। ভেঙে গেছে। নিজেদের মধ্যে গ্রপিংও হয়েছে।  
হেফাজতের সঙ্গে আপনার সঙ্গে সম্পর্ক কেমন যাচ্ছে?
হেফাজত হিসেবে নয়। ব্যক্তিগতভাবে তাদের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে। তারা অনেক শ্রদ্ধা কর আমিও তাদেরকে শ্রদ্ধা করি।
আপনি বিএনপির শাসনামলে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন...
হ্যাঁ, আমাকে ২০০৫ সালের ২২ আগস্ট অ্যারেস্ট করা হয়। গ্রেনেড হামলা, জঙ্গি সম্পৃক্তকার অভিযোগে। মিথ্যা অভিযোগে অ্যারেস্ট করিয়েছিল জামায়াত। আমি তখন একটি শান্তি সমাবেশে যাচ্ছিলাম ম্যানচেস্টার, আমাকে এয়ারপোর্ট থেকে অ্যারেস্ট করা হলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে। আমি কোর্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম, আমাকে নয় নিজামীদের ধরলেই, ওকে ধরলেই এটা বলতে পারবে। আমি সাত মাস অন্ধপ্রকোষ্ঠে ছিলাম। আজকে নিজামী কই? কোথায় আল্লাহ পৌঁছে দিয়েছে তারে আল্লাহ জানে। আমাকে গ্রেপ্তার করে বিএনপি মারাত্মক ভুল করেছিল। তাদের সেই ভুলের খেসারত সেই সময়ও দিতে হয়েছে। এখনও দিচ্ছে। জুলুম যখনই হবে। যার পক্ষ থেকে হবে তাকে খেসারত দিতে হবে।
এখন যারা জঙ্গি হিসেবে গ্রেপ্তার হচ্ছে, আপনার মতো কেউ কেউ কী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে না?
এটা আমি বলতে পারলাম না। এটা পুলিশ বা সরকার কি মনোভাব নিয়ে গ্রেপ্তার করছে। এটা ওনারা জানেন। তবে আমি আপনার মাধ্যমে আবেদন করবো, প্রতিহিংসা কিংবা রাজনৈতিক কারণে যেন না হয়। আইন সবার জন্য সম্মান। ইনসাফ সবাই পাবে।
ইসলামি ফাউন্ডেশনের কাজ কি? বর্তমান সময়ে আলেমরা এদের নিয়ে কেন বিরূপ মন্তব্য করছেন?
ইসলামি ফাউন্ডেশনের মূল কাজ হচ্ছে গবেষণার কাজ। আমার সময় অনেক গবেষণামূল কাজ করেছি। এখন কোনো গবেষণা হয় কি না আমার জানা নাই। ইসলামি ফাউন্ডেশন নিজেদের সম্পর্কে ব্যাপকতা পেয়েছে। কিন্তু গবেষণা ক্ষেত্রে অনেকে পিছিয়ে গেছে। এখন যারা ডিজি হয়েছে তারা ইসলাম সম্পর্কে জানে না কিছু। আপনারা এখন যতগুলো ডিজি হচ্ছে আমার সামনে পেশ করেন, কোনটা ইসলাম সম্পর্কে জানে? বর্তমান ডিজিতো একজন জজ। ওনিতো আলেম না। ইসলাম বিশেষজ্ঞও না। ওনি কোরআন শরিফ তরজমাও করতে পারেন না। ওনার পেশার জ্ঞানকে আমি হেয় করছি না। এই যে আমি যে কাজ করলাম, এইটাতো ইসলামি ফাউন্ডেশন করতে পারতো, এটা তাদের চিন্তাই আসেনি।
সর্বশেষ কবে ইসলামি ফাউন্ডেশনে গিয়েছিলেন, যোগাযোগ আছে?
না, আমার সঙ্গে দীর্ঘন ধরে কোনো যোগযোগ নেই। কবে যে গিয়েছিলাম সেটাও মনে করতে পারছি না। তারা কি করছেন না করছেন, সেটার খোঁজখবরও রাখি না। তবে ভালো কাজ হচ্ছে বলে মানুষের কাছে শুনি না।
২০০৯ সালের মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর আপনার তো ইসলামি ফাউন্ডেশনের ডিজি হওয়ার কথা ছিল?
ডিজি হলেতো আমিতো ঘেরাটোপের মধ্যে থাকতাম। এখন আমি স্বাধীন। ইসলামের জন্য যেটা জরুরি মনে করছি সেটা করে যাচ্ছি। দেখেন, আমিই বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি নিজামী আর মুজাহিদ যেদিন মন্ত্রিপরিষদে শপথ নিলো, তার পরদিন এর প্রতিবাদে ইসলামি ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পদত্যাগের জিদ মেটানোর জন্য আমাকে এরেস্ট করেছিল। সাত মাস জেলে ছিলাম।
আপনাকেতো অনেকে সরকারের লোক মনে করে?
হা, হা (হাসি)। আমি সরকারের লোক না। আমি হলাম সত্যের পক্ষে, সত্য যার সাথে থাকবে, ওই জায়গায় আমি থাকবো। মৌলিকভাবে আমি স্বাধীনতার পক্ষে। তাই স্বাধীনতার পক্ষে যারা তাদের ভুল ক্রটিকে ধরিয়ে দিব, কিন্তু আমি তাদের বিরুদ্ধাচরণ করি না।
দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
বর্তমান পরিন্থিতি যে কি, সেটাইতো বুঝতে পারছি না। তবে মোটামোটিভাবে দেখা যাচ্ছে যে জনগণ শান্ত। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত। কিন্তু এটা কতদিন ধরে রাখা যাবে। সেইটাতো ভবিষ্যত জানে। আমরা আশাকরি এই জিনিসটা বজায় থাকবে। মানুষ তার অধিকার নিয়ে বাঁচবে।

হাইলাইটস এর আরো খবর