বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০
logo
এক বছরে দেশে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে
প্রকাশ : ২৩ জুন, ২০১৬ ১৭:০৫:৫৬
প্রিন্টঅ-অ+
হাইলাইটস ওয়েব

ঢাকা: অব্যাহত সংখ্যালঘু নির্যাতনের কারণে বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতে পালিয়ে যাচ্ছে বলে সম্প্রতি ব্যাপক হইচই হচ্ছে। এ নিয়ে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নালিশও করেছেন। বিষয়টি নিয়ে সারা দেশেই ব্যাপক সমালোচনা চলছে। এমনকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংজ্ঞা নির্ধারণ নিয়েও নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ জরিপ বলছে, গত এক বছরের ব্যবধানে দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা বেড়েছে।
বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ১৯৪১ সালে হিন্দুরা ছিল জনসংখ্যার ২৮ ভাগ, ১৯৭১ সালে ১৩ দশমিক ৫০ ভাগ। কিন্তু বর্তমানে সে হার কমে ৮ থেকে ৯ ভাগে নেমেছে। অর্থাৎ ৪০ বছরে হিন্দুদের হার প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে। এই পরিসংখ্যানটিই বারবার সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ভারতে হিন্দুদের পালিয়ে যাওয়ার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। যদিও দেশে অন্যান্য বাঙালি ও অবাঙালি সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে কেউ কোনো উচ্চবাচ্য করছেন না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, এক বছরের ব্যবধানে দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বেড়েছে। ২০১৫ সালের হিসাবে, দেশের মোট জনসংখ্যার ১০ দশমিক ৭ শতাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিল। আগের বছর এর হার ছিল ৯ দশমিক ৯ শতাংশ।
বিবিএস এর ২০১৫ সালের স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সাল নাগাদ দেশের মোট জনসংখ্যা ১৫ কোটি ৮৯ লাখ। সেই হিসাবে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ। আর ২০১৪ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৬৮ লাখ। এ হিসাব ধরে তখন হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে হিন্দু বেড়েছে ১৫ লাখ।
এর আগে বাংলাদেশের সরকারি আদমশুমারি অনুযায়ী বলা হচ্ছিল, হিন্দু জনসংখ্যা প্রতি বছরই কমছে।
প্রসঙ্গত, বিবিএস স্যাম্পল ভাইট্যাল স্ট্যাটিসটিকস এর মাধ্যমে প্রতিবছর জন্ম, মৃত্যু, আয়ুষ্কাল, বিয়েসহ বিভিন্ন বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ করে।

হাইলাইটস এর আরো খবর