শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০
logo
কেরামতির নির্বাচন গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৯:৫৭:৪০
প্রিন্টঅ-অ+
হাইলাইটস ওয়েব

ঢাকা : বিগত ৫ জানুয়ারির মতো দেশে কেরামতির নির্বাচন চালু হয়েছে মন্তব্য করে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘এ ধরনের কেরামতির নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এই কেরামতির নির্বাচন জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে।’
শনিবার রাজধানীর আরামবাগ গণফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক বর্ধিত সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘সংবিধানে বলা আছে, জনগণ ক্ষমতার মালিক। মালিককে মালিকের ভূমিকা রাখতে হবে। এই ভূমিকা রাখতে অনেক সময় কিছুটা ঝুঁকিও নিতে হয়।’
সরকারের ওপর প্রশাসন আর পুলিশ ছাড়া অন্যান্য কেন্দ্রীয় সার্ভিসের কর্মকর্তা-শিক্ষক-কর্মচারী সবাই ক্ষুব্ধ উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, ‘পুলিশ ও প্রশাসনে রোগ ঢুকে গেছে। তারা আমাদের শত্রু নয়। তারাতো আমাদের এ দেশেরই ছেলে। তারা এভাবে রুগ্ন হবে কেন? তারা যেভাবে রুগ্ন হচ্ছে, সেই রোগ থেকে তাদের মুক্ত করতে হবে। পুলিশ অপরাধ করে হাতেনাতে ধরা পড়ছে। এটা কিসের আলামত? রোগের আলামত। যদি বলি, পুলিশের দরকার নেই। এটা একদম ঠিক নয়। পুলিশকে রোগমুক্ত কর। প্রশাসনকে রোগমুক্ত কর, দুর্নীতিমুক্ত কর।’
ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘মানুষের শান্তি-স্থিতিশীলতা কায়েমের জন্য আইনের শাসন ও বিচারবিভাগের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দলীয়করণমুক্ত পুলিশ ও প্রশাসন দরকার।’
তিনি বলেন, ‘দেশে সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন বজায় রাখতে সুস্থ রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীনতার সুফল কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘জঙ্গিবাদ কোনো ধর্মের শিক্ষা হতে পারে না। যারা এগুলো করে, তারা অসুস্থ। তাদের সুস্থ করার দায়িত্ব আমাদের।’
এসময় ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘পদ্মা সেতু, হলমার্ক, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঠিক বিচার হচ্ছে না। এগুলো নিয়ে তিনি নিজ দলসহ সর্বস্থরের জনগণকে সোচ্চার হতে হবে।’
সভায় পার্টির অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, শফিকউল্লাহ মোস্তাক আহমদ, সাইদুর রহমান, ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হাইলাইটস এর আরো খবর