মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০
logo
সৈকতে ঝাউবন নিধন, টনক নড়েছে সংশ্লিষ্টদের
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৩:১৪:৫৫
প্রিন্টঅ-অ+

কেটে নেয়া ঝাউ গাছের গোড়া

হাইলাইটস ওয়েব

কক্সবাজার : জেলার টেকনাফ সমুদ্র সৈকতের আড়াই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তিন ঝাউবনের অর্ধ লক্ষাধিক গাছ কেটে নেয়ার ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে বন বিভাগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বনকর্মীদের যোগসাজসে এক মাস ধরে ঝাউবনের গাছ কাটা চললেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে  তেমন কোনো পদক্ষেপ নেননি। ঘটনাস্থলেও যাননি কোনো কর্মকর্তা কিংবা সংশ্লিষ্টরা।
বুধবার এ ব্যাপারে বাংলামেইলে সচিত্র সংবাদ প্রচার হলে নড়েচড়ে বসে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা।
বুধবার বিকেলেই টেকনাফের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) সরওয়ার আলমের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি প্রতিনিধিদল টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর, জাহাজপুরা ও শিলখালী এলাকায় সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ঝাউ বাগানের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বলে জানান কক্সবাজার দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আলী কবির।
তিনি জানান, দুর্বৃত্ত কর্তৃক ঝাউ গাছ কেটে নেয়ার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে টেকনাফের সহকারী বন সংরক্ষককে (এসিএফ) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলেছি। ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে দায়ী ব্যক্তিদের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আলী কবির।
টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর, জাহাজপুরা ও শিলখালীর পশ্চিমের সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন এলাকায় তিনটি বাগান থেকে এক মাস ধরে অর্ধ লক্ষাধিক ঝাউ গাছ কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। সৈকতের অন্তত আড়াই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কেটে নেয়া গাছের গোড়াগুলো নিধনের ভয়াবহতার সাক্ষ্য বহন করছে।
উপকূলীয় জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা এবং সৌন্দর্য রক্ষায় ২০০৬-০৭ সালে টেকনাফের বাহাছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর থেকে জাহাজপুরা পর্যন্ত ১০০ হেক্টর সৈকতের বালিয়াড়ীতে তিনটি বাগানে প্রায় ৫ লাখ ঝাউগাছ লাগায় উপকূলীয় বন বিভাগ। দৃষ্টিনন্দন এসব ঝাউ বাগান পর্যটকদের কাছে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপকূল রক্ষায়ও ভূমিকা রাখে।

হাইলাইটস এর আরো খবর