শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯
logo
তলিয়ে গেছে হাতিয়ার শতাধিক গ্রাম
প্রকাশ : ০২ আগস্ট, ২০১৫ ১৪:১০:২১
প্রিন্টঅ-অ+
পরিবেশ ওয়েব

হাতিয়া (নোয়াখালী): ঘূর্ণিঝড় কোমেন ও অমাবস্যার প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে নোয়াখালীর বিছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার নিঝুমদ্বীপ, নঙ্গলিয়া, নলেরচর, কেয়ারিংচর নলচিরা, সুখচর, তমরদ্দি, চরঈশ্বর, চরকিং, সোনাদিয়া ও হাতিয়া পৌরসভার শতাধিক গ্রাম। এসব এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ও বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ায় বিছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
শরিবার উপজেলার নলচিরা ও চরঈশ্বর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে নিঝুমদ্বীপসহ নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা।
ঘূর্ণিঝড় কোমেন ও অমাবস্যার প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে চরঈশ্বর ইউনিয়নের তালুকদার গ্রাম, কালুহাজির গ্রাম, পণ্ডিত গ্রাম, আফাজিয়া, চরকিং ইউনিয়নের চরবগুলা, শুল্লুকিয়া, ব্রিজবাজার, হিটকলোনী, নলচিরা ইউনিয়নের ফরাজী গ্রাম, স্টিমারঘাট, অলিবাজার, তুফানিয়া গ্রাম ও সুখচর ইউনিয়নের চর আমানউল্লা গ্রাম, রামচরণ বাজার, কামাল বাজার, চেয়ারম্যান বাজার,বৌ বাজার, দাসপাড়া, কাহার গ্রাম, দরগা গ্রাম, বাদশা মিয়াগো গ্রাম, কাদির সর্দার গ্রাম ও মালিশাগো গ্রাম, হাতিয়া পৌরসভার চরকৈলাশ গ্রাম, উকিলপাড়া, চরলটিয়া গ্রাম, বেজুগালিয়া গ্রাম, ওছখালী বাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকা এবং নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ছোয়াখালী, বাতায়ন, মোক্তারিয়া, নামারবাজার, বন্দরটিলা এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল ও বেশকিছু এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে টিউবওয়েলগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। তাই পানিবন্দি নিঝুমদ্বীপ, নঙ্গলিয়া, নলেরচর ও কেয়ারিংচর এলাকায় বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। গবাদিপশুসহ গৃহপালিত পশু-পাখির খাবার সঙ্কটও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
কয়েক দিনের বর্ষণ ও মওসুমী হাওয়ায় হাতিয়ার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও এখনও ৪-৫ ফুট পানির নিচে রয়েছে। মাছের ঘের ভেসে গেছে।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পানিবন্দি মিম্নাঞ্চলের মানুষগুলো অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। এসব এলাকার শত শত একর বীজতলা, আমন ধানের চারা, আউশ ধান ও সবজিসহ রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসানাত মো. মাইনুদ্দিন ও উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মো. মামুন বাংলামেইলকে জানান, ঘূর্নিঝড় কোমেন ও অমাবস্যার কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতায় জোয়ার অব্যাহত রয়েছে। এতে দ্বীপের নিচু এলাকাগুলোর কিছু অংশ তলিয়ে গেছে। নলচিরা ও চরঈশ্বর এলাকার কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।
 

পরিবেশ এর আরো খবর