বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯
logo
পরকীয়ায় স্বামী হত্যা, প্রেমিকসহ স্ত্রীর ফাঁসি
প্রকাশ : ২২ মার্চ, ২০১৭ ১১:৫২:৩৫
প্রিন্টঅ-অ+
জেলা ওয়েব
কুমিল্লা: পরকীয়া প্রেমের জের ধরে কুমিল্লা আদালত কম্পাউন্ডে অবস্থিত অবদার আলী হোটেলের কর্মচারী জহির মিয়াকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ দু’জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক এম আলী আহমেদ এ আদেশ দেন।  

রাষ্ট্রপক্ষে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম।

কুমিল্লা জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয়ের তথ্য সেবা কেন্দ্র সূত্রে ও মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টায় সময় কুমিল্লা আদালত চত্বরের আবদার আলী হোটেলের কর্মচারী নগরীর কাপ্তান বাজারের বাসিন্দা জহির মিয়ার শারীরিক অসুস্থ্যতার সুযোগে স্যালাইনের সাথে বিষাক্ত ওষুধ দিয়ে, মুখে কস্টেপ ও বালিশ চাপা দিয়ে জহির মিয়াকে হত্যা করা হয়।

এ ব্যাপারে জহির মিয়া’র বড় ভাই বাদী হয়ে জহির মিয়ার স্ত্রী একই জেলার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা গ্রামের রওশন আলীর মেয়ে শিরিন আক্তারসহ অজ্ঞতনামা ৩ জনকে আসামি করে কুমিল্লার ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ১নং আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন।  

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. নবী উল্লাহ মামলার তদন্ত করে শিরিন আক্তারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০০৮ সনের ২৯ ফেব্রুয়ারি শিরিন আক্তার (২৭) ও তার প্রেমিক নগরীর ঝাঁকুনীপাড়া’র মৃত কুমোদ চন্দ্র ভট্টাচার্যের ছেলে দুলাল চন্দ্র ভট্টাচার্য্যরে (২৮) বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারে আসলে ১৫ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি শিরিন আক্তার ও দুলাল চন্দ্র ভট্টাচার্য্যরে বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন আদালত।  ঘটনার ১০/১২ বৎসর পূর্বে জহির মিয়ার সাথে শিরিন আক্তারের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। তার নাম রাব্বী (৭)।

জেলা এর আরো খবর