মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯
logo
সদ্য সংবাদ :

খাদ্যের অভাবে কেউ কষ্ট পাবেনা : প্রধানমন্ত্রী

খেলাপি ঋণের জন্য কিছু ব্যাংক দায়ী : অর্থমন্ত্রী

দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে

ঢাবি প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণীতে অনলাইনে ভর্তির আবেদন ২৯ আগস্ট শেষ হচ্ছে

নড়াইলে কালিয়া সেতু নির্মাণে ৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

নড়াইলে মধুমতি ভাঙনে তেতুলিয়া গ্রাম ও প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন

নায়করাজের জীবন ও কর্ম নিয়ে এ প্রজন্ম যেমন মূল্যায়ন করছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও গবেষণা করবে

মেসির দুই গোলে আলাভেসকে হারিয়েছে বার্সেলোনা

লিস্টার সিটিতে ২-০ গোলে হারিয়ে মানচেস্টারের জয় অব্যাহত

স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উ. কোরিয়ার

নড়াইলে মধুমতি ভাঙনে তেতুলিয়া গ্রাম ও প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট, ২০১৭ ১৩:২৭:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+
জেলার লোহাগড়া উপজেলার মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে তেতুলিয়া গ্রাম ও প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।অব্যাহত ভাঙনের কবলে পড়ে গৃহহারা হয়েছে প্রায় ৯শ’ পরিবার। গত ১৫ দিনের মধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে এ এলাকার ৩০টি বসতভিটা, বাড়িঘরসহ বহু গাছপালা।
লোহাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার নজরুল ইসলাম জানান,এ ইউনিয়নের অর্ন্তগত তেতুলিয়া গ্রামটি জেলার মানচিত্রে থাকলেও আর দৃশ্যমান নেই। এছাড়া প্রায় দুই বছর আগে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে তেতুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ এলাকার অসহায় মানুষের দুর্দশার কথা বিবেচনা করে ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি জোর দাবি জানিয়েছেন।
তেতুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শওকত হোসেন বলেন, ২০১৫ সালের আগস্টে বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যায়। এরপর কামঠানা এলাকায় টিনের ছোট একটি ঘরে ক্লাস নেয়া হচ্ছে।বর্তমানে জোয়ারের সময় শ্রেণিকক্ষে পানি উঠছে। ভাঙন প্রতিরোধে এখনই ব্যবস্থা না নিলে বর্তমানে যেখানে ক্লাস নেয়া হচ্ছে, সেটিও ভেঙ্গে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
লোহাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৬নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত তেতুলিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য (মেম্বার) চাঁন মিয়া মোল্যা জানান, নবম সংসদ নির্বাচনের সময় তেতুলিয়া গ্রামে ভোটার সংখ্যা ছিল প্রায় ৮০০জন। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে এ গ্রামের ভোটার সংখ্যা ছিল ৪৫০জন। সর্বশেষ তেতুলিয়া গ্রামে নান্নু মোল্যাদের বাড়িতে তিনটি পরিবারে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৯জন।দু’সপ্তাহ আগে মধুমতি নদীর ভাঙনে নান্নুদের বাড়িটিও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
লোহাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়,গত কয়েক বছরে তেতুলিয়া গ্রামের ৪০০ পরিবার নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়েছে। এছাড়া কামঠানা, চরবকজুড়ি ও ছাগলছিড়া গ্রামের প্রায় ৫০০ পরিবার মধুমতি নদী ভাঙনের শিকার হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।
৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নারায়ন বিশ্বাস বলেন, এ এলাকায় বন্যা নেই। তবে, ভাঙনের কারণে শত শত মানুষকে অন্যত্র থাকতে হচ্ছে। তেতুলিয়া বিলীন হওয়ার পর চরবকজুড়ি ও কামঠানা গ্রাম ভাঙছে।
লোহাগড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) মান্টু সিকদার জানান, ছাগলছিঁড়া-আমডাঙ্গা-চরবকজুড়ি থেকে লোহাগড়া উপজেলা সদরে যাতায়াতের কাঁচা রান্তার প্রায় এক কিলোমিটার অংশ মধুমতি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া ভাঙনের তীব্রতায় এ এলাকার বিদ্যুৎ লাইনও খুলে ফেলেছেন ভূক্তভোগীরা। এ পরিস্থিতিতে ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন সবাই।
নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহানেওয়াজ তালুকদার বলেন, তেতুলিয়ার নদী ভাঙন কবলিত এলাকা ইতোমধ্যে পরিদর্শন করেছি। ওই এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।প্রয়োজনীয় বাজেট পেলে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশ এর আরো খবর