শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯
logo
হাজীগঞ্জে ঝড়ো হাওয়ায় ইরি-বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল, ২০১৭ ১০:২৭:০০
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর ওয়েব
চাঁদপুর: হাজীগঞ্জে ঝড়ো হাওয়ায় ইরি-বোরো ধানের বেশ ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে ঝড়ো হাওয়ার কারণে ধান গাছ শুয়ে গেছে আর বৃষ্টির জমা পানিতে শুয়ে থাকা গাছ পনিতে ডুবে গেছে। গত সোমবার সন্ধ্যা ও গভীর রাতের বৃষ্টির সাথে প্রবল বেগে ঝড়ো হাওয়ায় এই ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী কৃষকরা চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান। বিষয়টি একেবারে প্রকৃতিগত বিষয় বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মনি সূত্রধর এ বিষয়ে ধান রক্ষার্থে পরামর্শ দিয়েছেন।


সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায় এবারে উপজেলার প্রতিটি এলাকায় ইরি-বোরো ধান ব্যাপক আকারে হবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চারদিকে সবুজের সমারোহ। ঠিক যে সময় কিছু গাছে ধান এসেছে আর কিছু ধানে দুধ চলে এসেছে আর কিছু গাছে ফুল শেষে ধান সৃষ্টি শুরু হয়েছে ঠিক সেই সময় প্রবলবেগের ঝড়ো হাওয়ায় ধানগাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেছে।


সরজমিনে আরো দেখা যায়, পানিতে ডুবে থাকা ফসলসহ ধান গাছ রক্ষার্থে কৃষককুল প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকে পানি সেচ দিয়ে জমির পানি কমানোর বৃথা চেষ্টা করছেন। কেউ গাছকে আটি বেঁধে কঞ্চি নিয়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছে, কেউবা আবার মনের কষ্টে জমির কাছে যাচ্ছেই না।


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থ বছরে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার ৬শ' ৪৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ করা হয়েছে।


এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মনি সূত্রধর চাঁদপুর কণ্ঠকে বলেন, বাতাসে পড়ে যাওয়া ধান গাছ রক্ষার্থে প্রথমত জমির পানি সেচ দিয়ে সরিয়ে দিতে হবে। ধানে দুধ এসে পড়লে ২/১ দিন পানিতে থাকলে ঐ ধান নষ্ট হবার সম্ভাবনা একবারে কম, তবে ২/১ দিনের মধ্যে অবশ্যই পানি সরিয়ে দিতে হবে। সবচে ভালো ধান গাছকে মুঠি ধরে উঠিয়ে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে বেঁধে দেয়া। আর পড়ে যাওয়া ফুলওয়ালা ধান গাছের ক্ষেত্রে কিছু করার নেই। এই সকল পদ্ধতি গ্রহণ না করলে পানিতে পড়ে যাওয়া ধান গাছে শ্যাওলা জমবে আর চিটা হয়ে যাবে।

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর