বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯
logo
হানারচর ইউনিয়নে জাটকা সংরক্ষণে জনসচেতনতামূলক সভায়
জাটকা যারা ধরে তারা দেশ জাতির শত্রু তাদেরকে ক্ষমা করা যাবে না : জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৬:০৩:৩৮
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর ওয়েব
গতকাল ১৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৩নং হানারচর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে জেলা টাস্কফোর্স, সদর উপজেলা টাস্কফোর্স ও হানারচর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে নভেম্বর থেকে জুন মাস পর্যন্ত ৮ মাস জাটকা সংরক্ষণ এবং মার্চ থেকে এপ্রিল ২ মাস সরকার ঘোষিত ইলিশ অভয়াশ্রম পদ্মা-মেঘনা নদীতে জাটকাসহ সকল প্রকার মাছ আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম বাস্তবায়নার্থে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর ম-ল।
            ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আঃ সাত্তার রাঢ়ীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর নৌ পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার মজুমদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সফিকুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা উদয়ন দেওয়ান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আরশাদ মিয়াজী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়ালি উল্যাহ অলি, চাঁদপুর কোস্টগার্ড সিনিয়র পেডি অফিসার মুকবুল হোসেন, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি আঃ মালেক দেওয়ান, ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ, সদর উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তছলিম বেপারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শওকত কবির চৌধুরীসহ মৎস্যজীবী নেতৃবৃন্দ, জেলে নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
            প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর ম-ল বক্তব্যে বলেছেন, চাঁদপুরের মানুষের কাছে জাতি কৃতজ্ঞ। গত মা ইলিশ রক্ষা অভিযান ও জাটকা রক্ষা অভিযান চলাকালীন চাঁদপুরের সর্বস্তরের সচেতন মানুষ এবং জেলে ভাইয়েরা, জেলা টাস্কফোর্স, সদর উপজেলা টাস্কফোর্স, পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ, গ্রাম পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন, জাটকা যারা ধরে তারা দেশ জাতির শত্রু, তাদেরকে ক্ষমা করা যাবে না। চাঁদপুরের মানুষের জন্যে ইলিশ মাছ এখন সোনার হাঁস। চাঁদপুরকে সরকারিভাবে ইলিশের বাড়ি ঘোষণা করা হয়েছে। ইলিশ রক্ষা করা চাঁদপুরের প্রত্যেক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। গত বছর মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল হওয়ায় প্রচুর পরিমাণে ইলিশ আহরণ করা হয়েছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে জেলেরা। গোটা বিশ্বের কাছে এ চাঁদপুর এখন ভৌগোলিকভাবেই ইলিশের জন্যে বিখ্যাত। তিনি বলেন, যারা জাটকা ধরে তারা দেশ, জাতি এবং চাঁদপুরের মানুষের শত্রু। গোটা কয়েক অসাধু জেলের জন্যে চাঁদপুরের সুনাম ক্ষুণœ হতে দেবো না। আগামী অভয়াশ্রমের সময় চাঁদপুরের কোনো জেলেকে নদীতে নামতে দেয়া হবে না। একই সাথে অন্য কোনো জেলা থেকে চাঁদপুরের নদী সীমানায় কোনো জেলেকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। বিগত দিনের তুলনায় জেলেদের অনেক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। লোভী জেলেদেরকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। যেহেতু চাঁদপুরকে ইলিশের বাড়ি ঘোষণা করা হয়েছে সেহেতু ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যা কিছু করা প্রয়োজন তাই করা হবে।

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর