শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯
logo
চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা মঞ্চে ৯ম দিনে দর্শক মাতালো
নারায়ণগঞ্জ সংশপ্তক নাট্যদলের ‘খানদানী কিস্সা’
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৫:০০:৩৪
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর ওয়েব
চাঁদপুর: চাঁদপুরে মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার ৯ম দিনে দর্শকদের মন মাতিয়েছে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনভুক্ত সদস্য সংগঠন নারায়ণগঞ্জ সংশপ্তক নাট্য দলের পরিবেশিত খানদানী কিস্সা নাটকটি। গতকাল শুক্রবার ৯ ডিসেম্বর রাত ৮টায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার মঞ্চে সাংস্কৃতিক ও নাট্য পরিষদের ব্যবস্থাপনায় এ খানদানী কিস্সা নাটক মঞ্চায়িত হয়। নাটকের পূর্বে বিজয় মেলার চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাংস্কৃতিক ও নাট্য পরিষদের সদস্য সচিব শরীফ চৌধুরীর পরিচালনায় শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি বি এম হান্নান, সাবেক সভাপতি ইকরাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী, মাঠ ও মঞ্চের আহ্বায়ক হারুন আল রশীদ, নারায়ণগঞ্জ সংশপ্তক নাট্যদলের সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রাজিব। নাটকের সূচনা করেন, সাংস্কৃতিক ও নাট্য পরিষদের আহ্বায়ক তপন সরকার।
    মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজয় মেলার মহাসচিব শহীদ পাটোয়ারী, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহীন, নারায়ণগঞ্জ সংশপ্তক নাট্য দলের নাট্য নির্দেশক সানাউল্লাহ হকসহ বিজয় মেলার কর্মকর্তারা। পরে নারায়ণগঞ্জ সংশপ্তক নাট্য দলের কর্মকর্তাদের হাতে অতিথিগণ মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।
    খানদানী কিস্সা নাটকের পটভূমি ছিলো গ্রাম থেকে শহরে আসা রাজাকার আপন দুই ভাই একাত্তার সালে যুদ্ধের সময় ভারতে পালিয়ে যায়। দেশ স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে নিজেদেরকে মুক্তিযোদ্ধা এবং খানদানী ভাবতে শুরু করে। তারা সমাজে প্রচার করতে চায়, তাদের পূর্ব পুরুষরা ছিলো এদেশের জমিদার। নিজেদের ছেলে মেয়েদের কঠিন শাসনের মধ্য দিয়ে খানদানী কায়দায় শিক্ষা দানে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। হঠাৎ একদিন গ্রাম থেকে শহরে ছুটে আসে তাদের চাচা। রাজাকার দুই ভাইয়ের প্রকৃত পরিচয় তুলে তাদের সন্তানদের সামনে। কারন এখনো তাদের আদি পুরুষরা নদী ভাঙনের সাথে যুদ্ধ করে আসছে। এই সব প্রেক্ষাপট নিয়েই এস এম সোলায়মান খানদানী কিস্সা নাটকটি রচনা করেন।
    নারায়ণগঞ্জ সংশপ্তক নাট্য দলের এস এম সোলায়মান রচনা ও সানাউল্লাহ হকের নির্দেশনায় নাটক খানদানী কিস্সা মঞ্চায়ন হয়েছে। নাটকে বিভিন্ন চনিত্রে অভিনয় করেন : শাহাদাৎ হোসেন মিলন, বিপুল সরকার, লাবণ্য, অমরিতা মিত্র খুকু, এ আই সুমন, অমিত চন্দ্র ঘোষ, বিপুল, রিয়াজ, অপু চন্দ্র দেবনাথ, অভিরাজ, চন্দন কুমার কর, রুহিত, অমিত, সম্পদ কুমার আচার্য্য। নাটকের আলোক পরিকল্পনায় সুমন হাসান। সংগীত পরিচালনায় জহিরুল ইসলাম সুমন, লিটন দাস, হান্নান ও অমরিতা মিত্র।

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর