রোববার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯
logo
মতলবের মেঘনা নদীতে নৌ-বাহিনীর ডুবুরীদের চেষ্টা
মোহনপুর নৌ-পুলিশের ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলি নিখোঁজের ৫দিন পর উদ্ধার
প্রকাশ : ২১ নভেম্বর, ২০১৬ ০৯:২২:১৯
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর ওয়েব ডেস্ক
চাঁদপুর: মেঘনা নদীতে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির টহল দলের নিখোঁজ হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ৫দিন পর নৌ-বাহিনীর ডুবুরী দলের চেষ্টায় ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে।
    গতকাল ২০ নভেম্বর রোববার দুপুরে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর সাঃ লেঃ (বিএন) এম আক্কাস আলী ও এসসিপিও (এক্স) সিডিএম তারেক হাসানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের ডুবুরী দল মেঘনা নদীর মোহনপুর এলাকায় ১শ’ ২০ ফুট গভীর থেকে এ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।
    নৌ-পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার রোববার দুপুরে মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি প্রাঙ্গনে এক ব্রিফিংয়ে জানান, ১৫নভেম্বর মেঘনা নদী নৌ-পুলিশের একটি টহল দল টহলরত অবস্থায় দু’টি বালিবাহী বাল্কহেড সংঘর্ষ হলে পুলিশের টহল ট্রলারটি ডুবে যায়। টহল পুলিশের কাছে থাকা ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলি মেঘনা নদীতে তলিয়ে যায়।
    প্রথমে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরী দল চেষ্টার পর ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর একটি ডুবুরী দল ৩দিন চেষ্টার পর রোববার দুপুরে তা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন মজুমদার, মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সামছুল হক চৌধুরী বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, আওয়ামী লীগ নেতা বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুর রব প্রধান, মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ ইউনুছ, এএসআই মোঃ বিপ্লব, এএসআই  আতাউর, এএসআই  আকরাম, এএসআই মাসুদ প্রমুখ।
    নৌ-বাহিনীর ডুবুরী দলের সদস্যরা হলোঃ পিও (সিডি) এম. কামরুল হাসান, এলএস (সিডি) এম. সোলায়মান, এম. বাকের হোসেন, এম. মহিদুল ইসলাম, এম. ফিরোজ আলম, এমই-১ (সিডি) এম. সোহেল রানা ও এলএস এম. আমিনুল হুদা প্রমুখ।

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর