মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
logo
বঙ্গবন্ধু সড়কে অগ্নিকান্ড
তেলের লরি চালকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অগ্নিদগ্ধ পাঁচজনেরই মৃত্যু হলো
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১০:০৬:৫৬
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর ওয়েব ডেস্ক

চাঁদপুর: গত ৩১ আগস্ট বুধবার দিবাগত গভীর রাতে চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হওয়া তেলের লরি চালক বাদশা (৫০)ও সর্বশেষ মারা গেলো। আর বাদশার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ওই দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ পাঁচজনকেই এ পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হলো। এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা চাঁদপুরে এই প্রথম। এর আগে পর্যায়ক্রমে আগুনে পুড়ে যাওয়া জ্বালানি তেলের দোকান মালিক মিজানুর রহমান (৪৫), তার ছেলে রায়হান (২৩), দোকান কর্মচারী মাসুদ হোসেন (২৮) ও তেলের লরির হেলপার নূর মোহাম্মদ (২১) মারা যায়। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে লরি চালক বাদশা মারা যান। বাদশা শনিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে মারা যান। এর আগে শুক্রবার ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে মিজানুর রহমান মারা গেলে এরপরই বাদশার মারা যাওয়াটাও অনেকটা নিশ্চিত ভেবে তার আত্মীয় স্বজনরা ওই দিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল থেকে নিয়ে আসে। তার বাঁচার আশা অনেকটা ছেড়ে দিয়েই আত্মীয় স্বজনরা তাকে ঢাকা থেকে নিয়ে এসে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়। একদিন পরই বাদশার মৃত্যু ঘটলো। তার বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলায় বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট বুধবার দিবাগত রাতে সাড়ে ১২টার দিকে চাঁদপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে হাজীবাড়ি এলাকায় সেলিনা ভিলার সামনে পদ্মা অয়েল কোম্পানির একটি তেলের লরিতে আগুন ধরে যায়। ওই সময় ওই লরি থেকে সেলিনা ভিলার নিচতলায় মিজানুর রহমানের জ্বালানি তেলের দোকানে (গোডাউনে) তেল আনলোড করছিলো। আর তখনই হঠাৎ ওই লরিতে আগুন ধরে সে আগুন দোকানেও ছড়িয়ে পড়ে। ভয়াবহ এ আগুনে উল্লেখিত পাঁচজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। তাদের শরীরের কারো ৮০ থেকে ৯০ ভাগ আর কারো ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পুড়ে যায়। তাদেরকে ওই রাতেই চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়। ঘটনার ১০ দিনের মাথায় একে একে পাঁচজনই মারা গেলো।

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর