বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
logo
শাহরাস্তিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সহিংসতা মামলায় মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন
প্রকাশ : ২২ আগস্ট, ২০১৬ ১৩:১৩:৩৪
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর ওয়েব ডেস্ক

চাঁদপুর: শাহরাস্তিতে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সহিংসতা মামলায় জেলে। গত ৭মে’র নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত জামাল হত্যা মামলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আঃ মমিন ও তাঁর ছেলেকে জড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ফটিক খিরা এসএ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল ২১ আগস্ট রোববার বিকেল ৫টায় রায়শ্রী দক্ষিণ ইউপি’র ফটিকখিরা গ্রামের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
    শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানায় গত ৭মে’র ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় রায়শ্রী দক্ষিণ ইউপি’র নাহারা ১নং ওয়ার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এক দল যুবক বেলা ১২টায় ককটেল ফাটিয়ে কেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালায়। তখন যুবলীগ কর্মী জামাল হোসেন (২৫) গুরুতর আহত হয়। ওই সময় কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে ভর্তি করলে রাত ২টা ৩০মিনিটে তার মৃত্যু হয়। ৮মে সকালে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে মিয়াজী বাড়ির সহিদউল্যার পুত্র জামালের গোসল শেষে কফিন বাধা হয়। তখন শাহরাস্তি মডেল থানায় জামালের কফিন বাধা লাশ এনে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন শেষে তার পরিবারকে লাশ হস্তান্তর করে। এরপর ৯মে শাহরাস্তি মডেল থানায় ওই নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্ব প্রাপ্ত আনসার মোঃ জিতু মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে, যার নং ২। ওই মামলায় চশমা প্রতীকের প্রার্থী আঃ মমিন ও তার ছেলে মাহমুদুল আলম সিতুসহ অজ্ঞাত শতাধিক ব্যক্তিকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গত ১১আগস্ট তারিখে আত্মসমর্থন করে জামিন চাওয়া হলে বিজ্ঞ নি¤œ আদালতে আসামীদয়কে জেল হাজতে প্রেরণ করে।  
    মানববন্ধনে উপস্থিতিরা জানায়, ঘটনার দিন নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান তখন গণমাধ্যমকে সহিংসতার ঘটনা কেন্দ্রের বাহিরে ঘটেছে বলে অভিমত দেয়। এছাড়া সহিংসতার  সময় ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত আঃ মমিন ও তার ছেলে সিতু ছিলেন না বলে তারা দাবি করেন। কারন নির্বাচনে তিনি জয়ী বা বিজিত একটিতেও ছিলেন না। তিনি হয়েছেন তৃতীয়। এছাড়া মামলার বাদী জিতু ইতমধ্যে বিবাদী পক্ষের জামিনে কোন আপত্তি নেই বলে মত দিয়েছেন বলে জানান। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, চারবারের ইউপি চেয়ারম্যান, তিনবারের বিআরডিবির চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মমিন মোল্লাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্যেশে প্রতিপক্ষ এ ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রকৃত সত্য হচ্ছে ওই সহিংসতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আঃ মমিন ও তার পরিবারের সম্পৃক্তাতা বিন্দুমাত্র নেই।
 

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর