সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১
logo
হাজীগঞ্জে গৃহবধূ মোবাশ্বেরা হত্যাকাণ্ড
প্রকাশ : ১৬ জুন, ২০১৬ ০৮:৪৪:০৮
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর ওয়েব ডেস্ক

চাঁদপুর: আমার স্ত্রী হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আমার ভাগিনা মিঠু কাজী। মিঠুকে আটক করে আইনের আওতায় আনলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে আমি ও আমার ছেলে-মেয়েরা বিশ্বাস করি। কারণ আমার ভাগিনা কাজী মিঠুর সাথে আমার দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তিগত বিরোধ রয়েছে। গতকাল বুধবার হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সম্প্রতি খুন হওয়া মোবাশ্বেরার স্বামী ও হত্যা মামলার বাদী আবুল কাসেম।
গতকাল দুপুরে দুই মেয়ে ও ১ ছেলে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আবুল কাসেম আরো দাবি করেন, গত ১৯ মে আমার স্ত্রী মোবাশ্বেরা বেগমকে নিজ বাড়ির বসতঘরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে হত্যাকারীরা তার নিথর দেহটি বাড়ির পাশের ডোবায় ফেলে রেখে যায়। ঘটনার দিন বেলা ৩টায় আমি খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়িতে যাই। বাড়িতে গিয়ে দেখতে পাই বাসার আলমারির দ্রবাদি মাটিতে এলোমেলোভাবে পড়ে রয়েছে। কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর স্ত্রীর মৃতদেহটি ডোবায় পড়ে থাকতে দেখে ছেলেকে জানালে আমার ছেলেই পুলিশে খরব দেয়। ঘটনার দিন রাতেই অজ্ঞাতনামাকে আসামী করে আমি বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করি, যার নং- ০৮/৮৭।
হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মুন্সী মোহাম্মদ মনিরের সভাপতিত্বে আবুল কাসেম আরো বলেন, কাজী মিঠুকে পুনরায় আটক এবং তার মোবাইল ফোনটি চেক করা হলেই হত্যার মূল রহস্য উদ্ঘাটন হবে। এছাড়াও হত্যা মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আরো ৪ ব্যক্তির নাম আমরা দিয়েছি। তারাও এ হত্যার সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে আমরা নিশ্চিত। আর এভাবে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মনিরুল হককে সহযোগিতা করার পরও হত্যা মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা পুরো পরিবার এখন হতাশাগ্রস্ত। সংবাদ সম্মেলনে হাজীগঞ্জে কর্মরত সকল জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা সমূহের সাংবাদিক এবং হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাজীগঞ্জ পৌরসভার ধেররা এলাকায় নিজ বাড়িতে খুন হন মোবাশ্বেরা নামের এক বয়স্ক নারী। পুলিশ মোবাশ্বেরার বসতঘরের পাশের ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। আর এ বিষয়ে নিহতের স্বামী হাজীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর