বুধবার, ২৭ মে ২০২০
logo
১১ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে
ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে চাঁদপুরে জোয়ারের পানি দ্বিগুণ বৃদ্ধি
প্রকাশ : ২১ মে, ২০১৬ ২৩:১২:০১
প্রিন্টঅ-অ+
শরীফ চৌধুরী

চাঁদপুর: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে চাঁদপুরে মেঘনা নদীর উপকূলীয় এলাকায় ঢেউয়ে উত্তাল। জোয়ারের ফলে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার অন্তত ১১ হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।এছাড়া ৪টি উপজেলার প্রায় ৪০টি চরাঞ্চলের মানুষকে  আশ্রয় কেন্দ্রে ও নিরাপদ অবস্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এদিকে ঝড়ে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় চাঁদপুর নৌ-টার্মিনাল ও হরিণা ফেরিঘাট এলাকায় প্রায় ৫ শতাধিক যাত্রী আটকা পড়েছে। শনিবার দুপুর দেড়টায় মেঘনা নদীর মোহনা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদী তুমুল উত্তাল। নৌ-টার্মিনাল এলাকার আশপাশে লাইটার জাহাজগুলো আশ্রয় নিয়েছে।
      চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় ২শ লঞ্চ যাত্রী লঞ্চঘাট এলাকার আশপাশের বিদ্যালয়গুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের জন্য চাঁদপুর পৌরসভা থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম সরওয়ার কামাল বলেন, হাইমচর সদর ইউনিয়নে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে কিছু ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে।
       চাঁদপুর সদরের ইউএনও উদয়ন দেওয়ান জানান, সদর উপজেলার হানাচর ইউনিয়নের চাঁদপুর-শরীয়তপুর রুটের ফেরির ১১টি বাস আটকা পড়েছে। এসব বাসের যাত্রীদের ইউপি চেয়ারম্যান আ. ছাত্তার রাঢ়ী স্থানীয় চালতাতলী স্কুলে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
          চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলায় শুক্রবার থেকে জেলা প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের দুর্ঘটনার  সংবাদ পাওয়া যায়নি।
 

চাঁদপুর : স্থানীয় সংবাদ এর আরো খবর