শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯
logo
সদ্য সংবাদ :

খাদ্যের অভাবে কেউ কষ্ট পাবেনা : প্রধানমন্ত্রী

খেলাপি ঋণের জন্য কিছু ব্যাংক দায়ী : অর্থমন্ত্রী

দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে

ঢাবি প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণীতে অনলাইনে ভর্তির আবেদন ২৯ আগস্ট শেষ হচ্ছে

নড়াইলে কালিয়া সেতু নির্মাণে ৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ

নড়াইলে মধুমতি ভাঙনে তেতুলিয়া গ্রাম ও প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন

নায়করাজের জীবন ও কর্ম নিয়ে এ প্রজন্ম যেমন মূল্যায়ন করছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও গবেষণা করবে

মেসির দুই গোলে আলাভেসকে হারিয়েছে বার্সেলোনা

লিস্টার সিটিতে ২-০ গোলে হারিয়ে মানচেস্টারের জয় অব্যাহত

স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উ. কোরিয়ার

খেলাপি ঋণের জন্য কিছু ব্যাংক দায়ী : অর্থমন্ত্রী
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট, ২০১৭ ১৩:৩২:২৮
প্রিন্টঅ-অ+
ঋণের জন্য কিছু ব্যাংক দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
তিনি বলেন, ‘কিছু ব্যাংকের ঋণ প্রদানের দিন থেকে তার গ্রাহককে খেলাপিতে ঋণ পরিণত করার প্রবণতা আছে। তারা মনে করে- গ্রাহককে ঋণ খেলাপি করা গেলে, তাদের ওপর ব্যাংকের আধিপত্য বাড়বে, এতে গ্রাহকরা ব্যাংকের অধীনে থাকবে।’
রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শনিবার রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ব্যাংকের মূলধন বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যন্যের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব হেদায়াতুল্লাহ আল মামুন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জাতীয়ভাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১০ থেকে ১১ শতাংশ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা কিন্তু একেবারে খারাব পর্যায়ে যায়নি। অথচ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের খেলাপী ঋণের পরিমাণ ২৭ শতাংশ। এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। উচ্চ হারের এই খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার ব্যাপারে ব্যাংকারদের আরো সচেতন হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
ব্যাংকসমূহকে একীভূত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরো বলেন, এত বেশি ব্যাংক থাকার দরকার নেই। একীভূত হতেই হবে। সরকার এর ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামো তৈরি করে দেবে, আপনারা একীভূত করার প্রচেষ্টা শুরু করবেন।
যেকোন ঋণ বা সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রধান কার্যালয়ের মতামত নেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী মুহিত এর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, যেকোন প্রস্তাব গ্রাম থেকে প্রধান কার্যালয় পর্যন্ত কেন আসতে হবে। নির্দিষ্ট একটা সীমা নির্ধারণ করেন, সেই পর্যন্ত মতামত নেওয়ার দরকার হবে। ছোট ছোট প্রস্তাবের বিষয়টি বিভাগীয় কার্যালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, এমন বিবেচনা করা যেতে পারে।
তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ৮ কোটির ওপরে ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এর মানে মোট জনগোষ্ঠীর বৃহৎ অংশকে ব্যাংকিং সেবায় আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি একাধিক ব্যাংক মিলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ট্রেনিং ইন্সটিটিউট গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মশালায় রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকসমূহের পরিচালনা পর্যদের সদস্য ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসা-অর্থনীতি এর আরো খবর