মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
logo
ভবন ভাঙতে ৩ বছর ‘যৌক্তিক’ সময় চায় বিজিএমইএ
প্রকাশ : ০৬ মার্চ, ২০১৭ ১১:৪০:৩১
প্রিন্টঅ-অ+
ব্যবসা ওয়েব
ঢাকা: রাজধানীর হাতিরঝিলে নির্মিত বহুতল ভবন ভাঙার জন্য তিন বছর সময় চায় পোশাক ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ। এ জন্য আদালতের কাছে  আবেদন জানাবে সংগঠনটি।

রোববার দুপুরে সাংবাদিককের কাছে এ কথা জানান  বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আদালতের প্রতি আমরা সব সময়ই শ্রদ্ধাশীল। এ রকম একটা সেক্টর (খাত), যেখানে দেশে-বিদেশে ইমেজের (ভাবমূর্তি) ব্যাপার আছে। সেখানে আমরা আদালতের কাছে অনুরোধ করছি যে আমরা সরে যাব। কিন্তু আমাদের যৌক্তিক সময় দেয়া হোক। আমাদের যেন তিন বছর সময় দেয়া হয়।।

এর আগে সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ বিজিএমইএর বহুতল ভবন ভাঙার বিষয়ে করা পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করেন।

বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বিজিএমইএ ভবনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী।

আইনজীবী কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, রোববার বিজিএমইএ ভবন নিয়ে রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে আবেদন খারিজ করা হয়।

গত বছরের ৮ ডিসেম্বর রিভিউ আবেদন দায়ের করে বিজিএমইএ। আবেদনে আপিল বিভাগের রায় স্থগিত করে বহুতল ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্য তিন বছরের সময় চাওয়া হয়।

এর আগে একই বছরের ৮ নভেম্বর বিজিএমইএ ভবন ভাঙার বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। ওই রায়ে বলা হয়, অবিলম্বে ভাঙতেই হবে এই বহুতল অবৈধ ভবন। ভবন ভাঙার যাবতীয় খরচ বিজিএমইএকেই বহন করতে হবে।

বিজিএমইএ না ভাঙলে রায়ের কপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজউককে ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ। এ জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা বিজিএমইএর কাছ থেকে নিতে বলা হয়েছে। বিজিএমইএর লিভ টু আপিল খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

হাইকোর্ট ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল ভূমির মালিকানা স্বত্ব না থাকা এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ও জলাধার আইন ভঙ্গ করায় বিজিএমইএ ভবনকে অবৈধ ঘোষণা করেন।

এ ভবনটি কত দিনের মধ্যে ভেঙে সরিয়ে নিতে পারবে, সে বিষয়ে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষকে ৯ মার্চের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে। ওই দিন এ আবেদন নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানানও আদালত।

ব্যবসা-অর্থনীতি এর আরো খবর