শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯
logo
১৫ টাকারও কম দরে চাল পাবে অর্ধকোটি পরিবার
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট, ২০১৬ ১৫:৩১:০৭
প্রিন্টঅ-অ+
ব্যবসা ওয়েব

ঢাকা: আগামী মাস থেকেই ৫০ লাখ পরিবারকে ফেয়ার প্রাইস কার্ডের মাধ্যমে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হবে। প্রতি কেজি চালের দাম হবে ১৫ টাকারও কম। যেখানে বাজারে ২৫ টাকার নিচে কোনো চাল নেই।
শনিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চাল বিতরণের কথা জানান খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। ‘মডার্ন ফুড স্টোরেজ ফ্যাসিলিটিজ’ প্রকল্প বাস্তবায়নে খাদ্য অধিদপ্তর ও মদিনা পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
মন্ত্রী আরো জানান, বর্তমানে ২০  লাখ টন খাদ্য শস্যে মজুদ করার গুদাম আছে। আগামী ২০১৮ সালে এটি ২৫ লাখ টন এবং ২০২৫ সালে ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হবে।
তবে কতো টাকা দরে চাল দেয়া হবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি খাদ্যমন্ত্রী।
এ বিষয়ে পরে কথা হয় খাদ্য সচিব এএম বদরুদ্দোজার সঙ্গে। তিনি বাংলামেইলকে বলেন, ‘ফেয়ার প্রাইস কার্ডের মাধ্যমে যে চাল বিক্রি হবে, তার দর এখনো ঠিক করা হয়নি। এ মাসেই দরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই দর খোলা বাজারে বিক্রির (ওএমএস) দরে চেয়ে কিছুটা কম হবে।’
সরকারি গুদামের মজুদ কমাতে এবং বিক্রি বাড়াতে খোলা বাজারে বিক্রির (ওএমএস) চাল ও আটার দাম কমানো হয়েছে। প্রতি কেজি চালের দাম ২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৫ টাকা এবং আটা ১৯ টাকার পরিবর্তে ১৭ টাকা নির্ধারণ করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত বছরের ২৩ নভেম্বর ওএমএসের চাল ও আটার দাম কমিয়েছিল সরকার। ওই সময় প্রতি কেজি চালের দাম ২৪ টাকা থেকে কমিয়ে ২০ টাকা এবং আটার দাম ২২ টাকার পরিবর্তে ১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে ওএমএসের চালের কেজি ২৪ টাকা ও আটার দর ২২ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। দেশের প্রায় ৫০০টি কেন্দ্রে খোলা বাজারের চাল-আটা বিক্রি হচ্ছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হাজী মো. সেলিম, খাদ্য সচিব এ.এম বদরুদ্দোজা ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের টাস্ক টিম লিডার ম্যানিয়েভেল সেন প্রমুখ।

ব্যবসা-অর্থনীতি এর আরো খবর