মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০
logo
আরো সাড়ে ৪ মিলিয়ন ডলার ফেরত এলো
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল, ২০১৬ ০৮:৪১:৪৭
প্রিন্টঅ-অ+
ব্যবসা ওয়েব

ঢাকা : ফিলিপাইনের ক্যাসিনো হয়ে হংকংয়ে যাওয়া ৮১ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে সাড়ে ৪ মিলিয়ন ডলার ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিষয়টি বৃহস্পতবার বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন ম্যানিলায় বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ।
রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ জানান, তার সামনেই সেখানকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৪ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ ব্যাংককে ফেরত দিয়েছে।
কীভাবে টাকাটা ফেরত পাওয়া গেল তা জানতে চাইলে তিনি জানান, ক্যাসিনোর অপারেটর মাইক ওয়াং সিনেটের শুনানিতেই বলেছিলেন তার কাছে ৪ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার আছে এবং ক্যাসিনোতে আরও ৪৫০ মিলিয়ন পেসো (১০ মিলিয়ন ডলারের সমমান) রয়েছে। সেটাই প্রথম অংশ আজ বাংলাদেশকে ফেরত দেয়া হয়েছে।
কয়েকদিনের মধ্যেই আরও কিছু টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
কিন্তু পুরো টাকাটা ফেরত পাওয়া যাবে কি না সে বিষয়ে গোমেজ বলেন, ‘ফিলিপাইনের সিনেটররাই বলছেন, বাংলাদেশ ৩৪ মিলিয়ন ডলার ফেরত পাবে কিন্তু তাতে তো সন্তুষ্ট হতে পারি না। পুরোটাই তো উদ্ধার করতে হবে।’
ক্যাসিনোতে যাওয়া টাকা পাওয়ার বিষয়ে যে সংশয় রয়েছে সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনোতে চলে গেছে বলে টাকা পাবে না তাতো মানবো না। সিনেট দারুণ কাজ করছে। সিনেটর বলছেন ৩৪ মিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে। আমরা ধাপে ধাপে আগাবো।’
রিজার্ভ চুরির সাথে প্রধানত যারা জড়িত তাদের সবাইকে চিহ্নিত করা হয়েছে। চারজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়েছে। ফিলিপাইনের আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান রাষ্ট্রদূত।
ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষের কাছে টাকা জমা দিচ্ছেন অভিযুক্তের আইনজীবী
গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ফেডারেল রিজার্ভে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি যায়। এর মধ্যে ২০ মিলিয়ন ডলার গ্রাহকের নাম ভুল করায় শ্রীলংকায় আটকে যায়, পরে তা ফেরত আনা হয়। বাকি ৮১ মিলিয়ন ডলার যায় ফিলিপাইনের একটি বেসরকারি ব্যাংকে। সেখান থেকে ক্যাসিনো হয়ে হংকংয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।
এটি প্রথম জানাজানি হয়, ফিলিপাইনেরই একটি পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর। এরপর দেশটির সিনেট বিষয়টি তদন্তের জন্য উঠেপড়ে লাগে।
এ নিয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান পদত্যাগ করেছেন। চাকরি গেছে দুই ডেপুটি গভর্নরের। পর্যবেক্ষণে আছে আরো অনেক কর্মকর্তা।

ব্যবসা-অর্থনীতি এর আরো খবর