সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
logo
চট্টগ্রামের কয়েকটি গ্রামে আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:২০:৫০
প্রিন্টঅ-অ+

আগাম ঈদ উদযাপনের এই ছবিটি রোজার ঈদের

চট্টলা ওয়েব

চট্টগ্রাম: প্রতিবারের মতো এবারও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাথে মিল রেখে চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা আগাম ঈদ পালন করছে।
বাঙালি মুসলমানরা মঙ্গলবার ঈদ উদযাপন করলেও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মীর্জা খিল দরবার শরীফের হযরত শাহ জাহাঁগীরের (র.) অনুসারীরা একদিন আগে সোমবার ঈদ উদযাপন করছেন।
এ দরবারের অনুসারীরা শবে-মেরাজ, শবে-বরাত, শবে-কদর, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে।
দরবারের অনুসারী চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক সরোয়ার হোসাইন চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মির্জাখীল দরবার শরীফের হযরত শাহ জাহাঁগীরের (র.) অনুসারীরা চারশ বছরেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন।
তিনি জানান, সকাল ১০টায় ঈদের দরবার শরীফ মাঠে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দরবারের অনুসারী কয়েক হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন।
চতুর্থ হযরত শাহ জাহাঁগীরের বড় ছেলে মাওলানা মো. মকছুদুর রহমান এ ঈদ জামাতের ইমামতি করেন বলে জানান সরোয়ার।
তিনি বলেন, “দরবারের অনুসারীদের অনেকে আজ কোরবানি দেবেন, আবার কেউ কেউ সোমবারও কোরবানি দেবেন।”
এছাড়া শাহ জাহাঁগীরের অনুসারী চন্দনাইশ, আনোয়ারা, রাউজান, হাটহাজারি, বোয়ালখালী, ফটিকছড়ি, সন্দ্বীপ, বাঁশখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার বেশ কিছু বাসিন্দারাও একদিন আগে ঈদসহ ধমীয় অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন।
যেসব গ্রামে আগাম ঈদ পালন হয় তার মধ্যে আছে- সাতকানিয়ার মির্জাখীল, চরতী, সুইপুরা, গাটিয়া ডেঙ্গা, চন্দনাইশের হারলা, কাঞ্চননগর, বাদামতল, পশ্চিম এলাহাবাদ, বাইনজুরি, কেশুয়া, কানাইমাদারী, সাতবাড়িয়া, দোহাজারি।
বাঁশখালীর চাম্বল, কালিপুর, শেখের খীল, ভাদালিয়া, হাছনদণ্ডী, চর বরমা, আলী নগর, পটিয়ার বাহুলী, পারিগ্রাম মোল্লা পাড়া, আলমদার পাড়া, হাইদগাঁও, আনোয়ারার বরুমছড়া, বরকল, তৈলার দ্বীপসহ আরও কিছু গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
এছাড়া কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, হ্নীলা, কুতুবদিয়া, বান্দরবানের লামা, আলিকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বেশকিছু বাসিন্দাও আগাম ঈদ পালন করেন।
 

২য় রাজধানী এর আরো খবর