বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯
logo
অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়ানোর ঘটনা তদন্তে বিসিআইসির কমিটি
চট্টগ্রামে গ‌্যাসের ট‌্যাংক বিস্ফোরণ, বায়ু দূষণ সহনীয় পর্যায়ে
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট, ২০১৬ ১৫:৫৫:৪৬
প্রিন্টঅ-অ+

চট্টগ্রাম: সোমবার রাত ১০টার দিকে কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) সংলগ্ন ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানার ৫০০ মেট্রিক টন এমোনিয়া গ্যাস ধারণ ক্ষমতার ট্যাংকটিতে ৩০০ মেট্রিক টনের মতো গ্যাস ভরার পর ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে অসুস্থ হয়ে পড়া মোট ৫২ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসতাপালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে নয়জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এর অধীন পরিচালিত ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড ড্যাপ নামেও পরিচিত; যেখানে দুটি ইউনিট ড্যাপ-১ ও ড্যাপ-২ আছে।
এই কারখানার পাশেই কাফকো ও সিইউএফএল সার কারখানা। নদীর অপর পাড়ে শাহ আমানত বিমানবন্দরসহ চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
দমকাল বাহিনী বলছে, বিস্ফোরণে ড‌্যাপ-১ এর ওই ট্যাংকটির একটি অংশ ফেটে যায়। কারখানার অপর দুটি ট্যাংক ঠিক আছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি আহমেদ খান দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করছে। বায়ু দূষণ সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে।”
এর আগে ভোরে বিসিআইসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, “ওই এলাকার বাতাসে অ্যামোনিয়া গ্যাসের সহনীয় মাত্রা হচ্চে ১০০ পিপিএম।
“দুর্ঘটনা স্থলের আশপাশের ২০০ মিটারের মধ্যেল অ্যামোনিয়ার মাত্রা আছে ২০ পিপিএম। সেখানকার ঝাঁঝল গন্ধও ইতোমধ্যে কমে এসেছে। এখন এটা নিউট্রিয়ালাইজেশন করার কাজ চলছে।”
ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কমিটি গঠন করেছে বলে জানান বিসিআইসি চেয়ারম্যান।
 

২য় রাজধানী এর আরো খবর