বুধবার, ২৭ মে ২০২০
logo
শিক্ষক লাঞ্ছনা আর গুপ্ত হত্যা একই সূত্রে গাঁথা : ১৪ দল
প্রকাশ : ১৯ মে, ২০১৬ ১৮:১৬:৫৩
প্রিন্টঅ-অ+
চট্টলা ওয়েব

চট্টগ্রাম : সরকার উৎখাতের চক্রান্ত, গুপ্ত হত্যা, পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নারানগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা বলে মন্তব্য করেছেন ১৪ দল চট্টগ্রামের নেতারা। তাদের অভিযোগ এসব অপতৎপরতার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতিসত্তাকে ধ্বংস করা। সেজন্য এই তৎপরতার বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি বলেও মন্তব্য ১৪ দলের নেতাদের।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৪ চট্টগ্রামের সমন্বয়ক এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমাহিলস্থ বাসভবনে এক জরুরী সভায় এসব কথা বলা হয়।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের একাংশের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ইন্দু নন্দন দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বলা হয়, উগ্র ধর্মীয় জঙ্গীবাদ ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়ে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমনকি প্রশাসনেও শিকড় ছড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ১৪ দলের শীর্ষ নেতাদের হামলা ও জীবন নাশের জন্য তারা ছক তৈরী করেছে। বিশ্ব মানবতা ও মুসলিম উম্মাহর প্রধান দুষমন ইসরইলী গোয়েন্দা সংস্থা ভয়ংকর মোসাদের সাথে সরকার উৎখাতের জন্য বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বৈঠক ও যোগাযোগ বিস্ময় ও উদ্বেগকে বাড়িয়ে তুলেছে।
সভায় নারায়নগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্চনাকারী সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের শাস্তি ও সংসদ সদস্য পদ খারিজ করার দাবি জানিয়ে বলা হয়, তিনি সকল সাংসদের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছেন এবং নিজের কুমতলব হাসিল করতে সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দিয়েছেন। সর্বোপরি জঙ্গীবাদের ক্রীড়ানকের ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
সভায় সরকারের প্রতি পাকিস্তান ও তুরস্কের সাথে কুটনৈতিক সর্ম্পক ছিন্ন করার আহবান জানিয়ে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রশ্নে পাকিস্তান ও তুরস্কের বিরুপ অবস্থান বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে অবস্থানের সামিল এবং কুটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। জঙ্গিবাদের দুই ঘাঁটি পাকিস্তান ও তুরস্কের সাথে ন্যূনতম সম্পর্ক ও কাক্সিক্ষত হতে পারে না।
সভায় ১৪ দল চট্টগ্রামের উদ্যোগে আগামী ২৪ মে মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিতব্য নৈরাজ্য ও জঙ্গীবাদ বিরোধী জনসভাকে সফল করে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনামূলক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি এডভোকেট আবু হানিফ, জাসদ মহানগর সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক জ.উ বাবুল, গণআজাদী লীগের আহবায়ক নজরুল ইসলাম আশরাফী, জাতীয় পার্টির  (জেপি) নগর আহবায়ক আজাদ দোভাষ, তরিকত ফেডারেশনের জেলা আহবায়ক কাজী আহসান উল মোরশেদ, মহানগর ন্যাপের যুগ্ন আহবায়ক মিঠুল দাশ গুপ্ত, মহানগর যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফরিদ মাহমুদ, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, আরশেদুল আলম বাচ্চু, ওয়াসিম উদ্দিন, আজিজুর রহমান আজিজ, মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু প্রমূখ।

২য় রাজধানী এর আরো খবর